তৃণমূলের গুন্ডাদের আটকাতে ঘরে অস্ত্র রাখার নিদান রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের 

397

আসানসোল: তৃণমূলের গুন্ডাদের আটকাতে ঘরে অস্ত্র রাখার নিদান দিলেন বিজেপির রাঢ়বঙ্গের পর্যবেক্ষক রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে দলের একটি প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসে এমনই মন্তব্য করেন তিনি। যা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডাদের মেরে চামড়া গুটিয়ে দেওয়ার নিদান দেওয়ার পাশাপাশি বিজেপির রাঢ়বঙ্গের পর্যবেক্ষকের পরামর্শ, ‘বাড়িতে বাড়িতে অস্ত্র রাখুন। তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডাবাহিনী মারতে এলে চামড়া গুটিয়ে দিন ওদের।’ এদিন দুর্গাপুরের পারুলিয়াতে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করেছিল পশ্চিম বর্ধমান জেলা বিজেপি। সেখানেই এমন নিদান দেন রাজুবাবু।

পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ দেগে রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘রাজ্যে পুলিশ ও তৃণমূল কংগ্রেস এখন এক হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের ভয়ে টেবিলের তলায় ঢুকে পড়ে পুলিশ। এই পুলিশের কাছ থেকে কখনও সুবিচার আশা করা যায় না। আর এজন্য দায়ী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও ঘটনা ঘটলে পুলিশ তদন্ত না করে আগেই বলে দিচ্ছে, সেটা আত্মহত্যা। তদন্তের আগে পুলিশ আগে কী করে সেটা জানলো?’

- Advertisement -

দলীয় কর্মী স্বরূপ শো হত্যাকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে এদিন বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা পারুলিয়া এলাকায় মিছিল করেন। দলের জেলা সভাপতি লক্ষ্মণ ঘোড়ুই সহ জেলার অন্য নেতৃবৃন্দ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন, ‘পুলিশ তো ঘটনার তদন্ত করে রহস্য উন্মোচন করেছে। ঘটনায় জড়িতদের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আর যাঁরা আসানসোল দুর্গাপুর এলাকায় শান্তি চান ও এখানকার মানুষকে ভালোবাসেন, তাঁরা কখনওই কাউকে হাতে অস্ত্র তুলে নিতে বলবেন না। যাঁরা অশান্তি চান বা দাঙ্গা ভালোবাসেন তাঁরাই হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার কথা বলবেন।’