রামপুরহাটে দুই নির্যাতিতার পাশে বিজেপি-বামফ্রন্ট

136

রামপুরহাট: বীরভূমের রামপুরহাটে দুই কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সাত কিশোরের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় দুই কিশোরী ও তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়াল বিজেপি এবং বামফ্রন্ট। মঙ্গলবার দুই দফায় রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে দেখা করতে যান এক সাংসদ সহ দুই বিজেপি নেত্রী। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরা।

পাশাপাশি দুই কিশোরীর গ্রামে যান বাম সমর্থিত মহিলা সমিতির জেলা সভানেত্রী কেনিজ রবিউল ফতেমা এবং যুব ফেডারেশনের জেলা সভাপতি অমিতাভ সিং। তাঁরাও পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

- Advertisement -

প্রসঙ্গত, বীরভূমের রামপুরহাটে শনিবার দুই কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে সাত কিশোরের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ছয় কিশোরকে গ্রেপ্তার করে। একজন পলাতক রয়েছে। সোমবার তাদের সিউড়ি জুভেনাইল আদালতে তোলা হলে বিচারক প্রত্যেককে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত হোমে রাখার নির্দেশ দেন। ২৭ তারিখ ফের তাদের আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই দুই কিশোরীকে দেখতে রামপুরহাটে যান মালদা উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু, বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি মাফুজা খাতুন। দুপুরের দিকে আসেন বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী অগ্নিমিত্র পাল। তাঁরা কিশোরীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। অগ্নিমিত্র পাল বলেন, ‘রাজ্যে ধর্ষণ হলেই মুখ্যমন্ত্রী বা তাঁর সাংসদরা তাকে ছোট ঘটনা কিংবা দেহ ব্যবসায়ী বলে চালিয়ে দিচ্ছেন। ধর্ষণ মানেই মেয়েটাই দোষী বলে তাঁরা ধরে নিয়েছেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অভিযোগ পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে না। আবার কোনও পুলিশ অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু করলে তাঁকে বদলি করে দেওয়া হচ্ছে।’ পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘এখন আবার বিজেপির মহিলা কর্মীদের গায়ে হাত দেওয়া হচ্ছে। শ্লীলতাহানি করা হচ্ছে। বাংলার মানুষ সন্ত্রাস, কু-ভাষা পছন্দ করে না। আমরা সুশাসন চাই। বাংলার মানুষ জানে সুশাসন একমাত্র বিজেপি দিতে পারে। তাই আর কয়েক মাস পরই রাজ্যে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। আমরা দুই কিশোরীর পাশে রয়েছি। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব।’ মাফুজা খাতুন বলেন, ‘আমরা কিশোরীর মায়ের সঙ্গে কথা বললাম। ন্যায় বিচারের জন্য যতদূর জেতে হয় আমরা যাব।’