বনবস্তিবাসীদের স্বনির্ভর করার কাজ ধূমচীতে

281

রাঙ্গালিবাজনা: আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট রেঞ্জের ধূমচী বনাঞ্চলের বনবস্তি রাভাবস্তির বাসিন্দাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর করতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন। মাদারিহাটের বিডিও শ্যারণ তামাং জানান, ওই বনবস্তিতে ‘জল ধরো জল ভরো’ প্রকল্পে পাঁচটি পুকুর খননের কাজ শেষের দিকে। পুকুর পাড়ে লেবু ও সুপারি গাছ লাগানো হচ্ছে। সোমবার বিকেলে সেগুলি পরিদর্শন করেন আলিপুরদুয়ারের জেলা শাসক সুরেন্দ্রকুমার মীনা। বিডিও জানান, ওই পুকুরে মৎস চাষ ও এলাকায় পশুপালনের মাধ্যমে বনবস্তিবাসীদের স্বনির্ভর করে তুলতে চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

প্রসঙ্গত, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বেশ কিছুদিন ধরে অনটনের জাঁতাকল পিষ্ট হচ্ছেন ধূমচী বনাঞ্চলের কোলে অবস্থিত ওই বনবস্তির বাসিন্দারা। সেখানে ৭৫টি রাভা পরিবার রয়েছে। একসময় বনের ওপর নির্ভর করে জীবন কাটাতেন তাঁরা। পরে বন দপ্তরের নিয়ম কানুন শক্ত হওয়ায় দিনমজুরে পরিণত হন তাঁরা। অনেকেই পাড়ি দেন ভিনরাজ্যে। এখন অল্প কয়েকজন আঁকড়ে ধরে রয়েছেন জ্বালানি কাঠ বিক্রি করার পেশা। এদিকে, যাঁরা ভিনরাজ্যে কিংবা ভুটানে শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন তাঁরা করোনা পরিস্থিতির জেরে ঘরে ফিরে এসেছেন। কাজ হারিয়ে তাঁরা চেষ্টা করছিলেন কৃষিকাজ করে ক্ষুন্নিবৃত্তি করতেন। কিন্তু দলে দলে হাতি এসে নষ্ট করে দিচ্ছে ফসলের খেত। রাঙ্গালিবাজনা গ্রাম পঞ্চায়েতের স্থানীয় সদস্যা বিউটি রাভা বলেন, ‘স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির মাধ্যমে একগুচ্ছ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’

- Advertisement -