রায়গঞ্জ, ২৭ এপ্রিলঃ আগামী ২৯ এপ্রিল রায়গঞ্জের তিনটি বুথে পুনর্নির্বাচন। ইসলামপুরের দোলোগাছি এসএসকে ১৯ এবং পাতাগড়া বালিকা বিদ্যালয়ের ৩৭ নম্বর বুথ ও গোয়ালপোখরের লোহাগাছি আদিবাসী পাড়া ১৯১ নম্বর বুথে পুনর্নির্বাচন হবে আগামী ২৯ এপ্রিল। এমনটাই জানানো হয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিক দপ্তরের তরফে। তিনটি বুথেই ভোটগ্রহণ শুরু হবে সকাল ৭টা থেকে। চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এই বিষয়ে বামফ্রন্টের বিদায়ী সাংসদ মহম্মদ সেলিম বলেন, ‘দেরিতে হলেও ঘুম ভাঙলো নির্বাচন কমিশনের। আমরা ২৮ টি বুথে পুনর্নির্বাচন চেয়েছিলাম। সেখানে নির্বাচন কমিশনের তরফে তিনটি বুথে পুননির্বাচন হচ্ছে। এর থেকেই প্রমাণ হয় রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন ব্লকের তৃণমূল আশ্রীত দুষ্কৃতীরা ছাপ্পা ভোট দিয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাসও চালিয়েছে। যদিও পুনরায় নির্বাচন নাও হলে আমি জিতবো।’ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পবিত্র চন্দ বলেন, ‘তিনটি বুথে পুননির্বাচন হচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশনের এই ভূমিকায় আমরা খুশি নই। আমরা ১৬ টি বুথে পুননির্বাচন চেয়েছিলাম। সেই মোতাবেক নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছিল। তবে তৃণমূল যে বুথে বুথে সন্ত্রাস চালিয়েছে তার প্রমাণ মিলল এদিন। যদি সন্ত্রাস নাই চালায় তবে নির্বাচন কমিশন তিনটি বুথে পুনঃনির্বাচনের কথা ঘোষণা করল কেন। তৃণমূল দলটারই কাজ পঞ্চায়েত, পৌরসভা, বিধানসভা ভোটে ভোট লুট করা। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারকে প্রয়োগ করতে না দেওয়া। এটা বেশিদিন চলতে পারে না।’ বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরী বলেন,‘নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণায় আমরা খুশি নই। আমরা দাবি করেছিলাম ১৫ টি বুথে পুনরায় নির্বাচন হোক। যেখানে শাসক দলের দুষ্কৃতীরা ছাপ্পা ভোট দিয়েছে। এই খবর করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ ওপর হামলা কিছুতেই মানা যায় না। তবে নির্বাচন কমিশনের এদিনের ঘোষণায় প্রমাণিত হল ‌তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ছাপ্পা ভোট দিয়েছে।’ তৃণমূলের জেলা কার্যকরী সভাপতি পূর্ণেন্দু দে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন বিজেপির হয়ে কাজ করছে। কেন্দ্র যা বলছে নির্বাচন কমিশন তাই করছে। এই তিনটি বুথে যে পুনরায় নির্বাচন হচ্ছে তার যুক্তি খুঁজে পাচ্ছিনা।’