সীতাভোগ ও মিহিদানাকে স্বীকৃতি ডাক বিভাগের

183

বর্ধমান: জিআই তকমা পাওয়ার পর এবার বর্ধমানের দুই প্রসিদ্ধ মিষ্টি সীতাভোগ ও মিহিদানাকে স্বীকৃতি দিল ভারতীয় ডাক বিভাগ। শুক্রবার বর্ধমান মুখ্য ডাকঘরে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে সীতাভোগ ও মিহিদানার ছবি ও তথ্য সম্বলিত বিশেষ খাম ও স্পেশাল কভারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দক্ষিণবঙ্গ রিজিয়নের পোস্ট মাস্টার জেনারেল শশী সালিনী কুজুর। ডাক বিভাগের এই উদ্যোগে খুশি বর্ধমানের মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীয়া। শশী সালিনি কুজুর বলেন, ‘এই দুই মিষ্টির প্রচার এবং জনপ্রিয়তা বাড়ানোর লক্ষ‍্যে ভারতীয় ডাক বিভাগ একে তুলে ধরছে। এর ফলে বর্ধমান ছাড়াও দেশের অন্যান্য জায়গায় সীতাভোগ ও মিহিদানার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে।’

সীতাভোগ ও মিহিদানাকে স্বীকৃতি ডাক বিভাগের| Uttarbanga Sambad | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Live Breaking News North Bengal | COVID-19 Latest Report From Northbengal West Bengal India
সীতাভোগ ও মিহিদানা

বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টি সীতাভোগ ও মিহিদানার খ্যাতি এখন দেশ জোড়া। অনেক টানাপোড়েনের পর ২০১৭ সালে জিআই স্বীকৃতি পায় শতাব্দী প্রাচীন বর্ধমানের এই দুই প্রসিদ্ধ মিষ্টি। সীতাভোগ ও মিহিদানার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বর্ধমানের রাজ আমলের ইতিহাস। বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চাঁদ মহাতাবকে ১৯০৪ সালে ’রাজাধিরাজ’ উপাধি দেয় ইংরেজ সরকার। সেই উপলক্ষ্যে বর্ধমান রাজপ্রাসাদে বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন বাংলার তৎকালীন বড়লাট লর্ড কার্জন। বড়লাটকে খুশি করার জন্য বিজয়চাঁদ মহতাব তাদানীন্তন বর্ধমানের নামজাদা মিষ্টি প্রস্তুতকারক ভৈরবচন্দ্র নাগকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য বিশেষ মিষ্টি প্রস্তুত করতে বলেন। ভৈরবচন্দ্র নাগ তৈরি করেদন মিহিদানা ও সীতাভোগ। বলা বাহুল্য এই দুই মিষ্টির স্বাদ পেয়ে বড়লাট সহ বাকি অতিথিরা খুবই খুশি হয়েছিলেন।

- Advertisement -