চা বাগান থেকে খাঁচাবন্দী চিতাবাঘ উদ্ধার

134

বিন্নাগুড়ি: চা বাগান থেকে খাঁচাবন্দী চিতাবাঘ উদ্ধার হল। রবিবার সকালে বিন্নাগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বিন্নাগুড়ি চা বাগানে বনদপ্তরের পাতা খাঁচায় ধরা পড়ে ওই পূর্ণবয়স্ক পুরুষ চিতাবাঘ। চিতাবাঘ খাঁচাবন্দী হবার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাঘ দেখতে ভিড় জমান চা বাগানের বাসিন্দারা। বাঘকে হাতের কাছে পেয়ে করোনা বিধি না মেনে বাগানের বাসিন্দারা কেউ মোবাইলের ক্যামেরা বন্দি করতে, আবার কেউ খাঁচাবন্দী বাঘের সঙ্গে সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এরপরে এলাকাবাসীদের ভিড় সামলে বনদপ্তরের কর্মীরা খাঁচা সহ বাঘটি চা বাগান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যান।

বনদপ্তর ও চা বাগান সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগানের ৩/৪ নম্বর সেকশনের মাঝামাঝি জায়গায় বাঘ ধরার খাঁচা পাতা হয়েছিল। বেশ কিছুদিন থেকেই বাগানের মধ্যে চিতাবাঘের আনাগোনা লক্ষ্য করছিলেন বাগানের শ্রমিকরা। যার ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে ছিল বাগানে। প্রায় ১৫ দিন পরে চিতাবাঘটি ছাগলের লোভে খাঁচায় আটক হয়।

- Advertisement -

বিন্নাগুড়ি চা বাগানের লেবার ওয়েল ফেয়ার অফিসার গৌতম দে বলেন, ‘বাগানের মধ্যে চিতাবাঘ দেখতে পাচ্ছিল বাগানের শ্রমিকরা। আমরা বনদপ্তরের কাছে আবেদন জানিয়ে ছিলাম খাঁচা দেওয়ার জন্য, সেই মতো খাঁচা পাতা হয়। এদিন সকালে বাগানের শ্রমিকরা প্রথম খাঁচাবন্দী চিতাবাঘটি দেখতে পায়। চিতাটিকে উদ্ধারের পর এখন অনেকটাই আতঙ্ক মুক্ত বাগানের শ্রমিকরা। তবে বাগানে আরও চিতা বাঘ থাকতে পারে সেকারণে বনদপ্তরের কাছে পুনরায় খাঁচা পাতার আবেদন করা হবে।’

বিন্নাগুড়ি বন্যপ্রাণী স্কোয়াডের রেঞ্জার শুভাশিস রায় বলেন, ‘বাগান কতৃপক্ষের আবেদনে বাঘ ধরার খাঁচা পাতা হয় প্রায় ১৫ দিন আগে। চিতাটিকে লাটাগুড়ি প্রকৃতিবীক্ষণ কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে পুনরায় জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে।’