সংক্রমণ বাড়লেও করোনা পরীক্ষায় নারাজ বাসিন্দারা

997

রাঙ্গালিবাজনা: করোনা পরীক্ষায় ফের মানুষের অনীহা ধরা পড়ল। ঘণ্টাদু’য়েক একনাগাড়ে পথচারীদের ডেকে ডেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা অনুনয়-বিনয় করলেও সোয়াব দিতে রাজী হলেন না এলাকার অনেকেই। অনেকেরই পালটা জবাব, এখন করোনা বলে কিছু নেই। এমনকি সোয়াব দিতে রাজী হলেন না এলাকার এক প্রাথমিক শিক্ষকও। ফলে শুক্রবার আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট বীরপাড়া ব্লকের ইসলামাবাদ গ্রামের উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে স্বাস্থ্যকর্মীরা অপেক্ষা করলেও সোয়াব দিলেন মাত্র পঞ্চাশ জন।

মাদারিহাট বীরপাড়া ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রের খবর, ওই ব্লকে এখনও করোনায় আক্রান্ত রয়েছেন বেশ কয়েকজন। এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় জ্বর-সর্দিকাশিতে আক্রান্ত অনেকেই। তবে হাসপাতালে যাওয়া তো দূরের কথা, স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রামে গিয়ে সোয়াব সংগ্রহের চেষ্টা করলেও তাতে নারাজ গ্রামবাসীদের অনেকেই। বরং তাঁরা নির্ভর করছেন এলাকার হাতুড়ে চিকিৎসক ও ওষুধের দোকানদারদের ওপর। এদিন আলিপুরদুয়ার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে ইসলামাবাদ গ্রামে সোয়াব সংগ্রহে যান স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাঁদের সহযোগিতা করেন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মীরা।

- Advertisement -

কিন্তু অনেক বুঝিয়েও বেশিরভাগ পথচারীদেরই সোয়াব দিতে রাজী করানো যায়নি। অথচ কোচবিহারের সোনাপুর থেকে ওই এলাকায় পেশাগত কাজে যাওয়া নবকান্ত রায়কে অনুরোধ করামাত্রই সোয়াব দিয়েছেন তিনি। এদিন পথচারী, সাইকেল আরোহী, বাইক আরোহী থেকে শুরু করে টোটো ও ছোটো গাড়িগুলিকে  থামিয়ে এলাকাবাসীর সোয়াব সংগ্রহের চেষ্টা চালান স্বাস্থ্যকর্মীরা। কিন্তু তাতে রাজী হননি সিংহভাগই। বরং পিপিই কিট পরিহিত স্বাস্থ্যকর্মী দেখে যানবাহনের গতি বাড়িয়ে দ্রুত সরে পড়েছেন বেশিরভাগই। মাদারিহাট বীরপাড়া ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক দেবজ্যোতি চক্রবর্তী বলেন, আমরা সোয়াব সংগ্রহের পাশাপাশি লাগাতার মানুষকে সচেতন করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।