করোনা আবহে রোজগারে টান, চরম সংকটে গাজোল হরিজনপল্লীর বাসিন্দারা

106

গাজোল: সাফাইয়ের কাজে আর রোজগার নেই। আবার বাঁশের ডালি, কুলো আর পাখা তৈরির কাজ করে কোনও রকমে দিন গুজরান করবেন তেমনও উপায় নেই। কারণ করোনা পরিস্থিতিতে বাজার যথেষ্টই মন্দা। তাই সমস্যায় পড়েছেন গাজোলের হরিজনপল্লীর বাসিন্দারা।

একটা সময় গাজোল বয়েজ হস্টেলের সামনে ছিল হরিজন পল্লী। ৫১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য সেই সময় তাদের উচ্ছেদ করা হয়। তাদের পুনর্বাসন দেওয়া হয় গাজোল রেলওয়ে স্টেশনের উলটোদিকে সরকারি খাস জমিতে। সাফাইয়ের কাজের পাশাপাশি কেউ কেউ বাঁশের তৈরি নানা জিনিস তৈরি করে বাজারে বিক্রি করতেন। কিন্তু ক্রমশই দাম বাড়ছে বাঁশের, সেই তুলনায় দাম বাড়েনি উৎপাদিত সামগ্রীর। গোদের ওপর বিষ ফোঁড়ার মত প্রায় দুই বছর ধরে চলছে করোনা পরিস্থিতি। সেই কারণে ব্যবসা নেই বলেই জানালেন নিখিল হরিজন, মিঠুন হরিজন, সুকু হরিজন, রাজকুমার হরিজনরা। তাঁদের অভিযোগ, সরকার থেকেও কোনও রকম সাহায্য মেলে না। ফলে সংসার টানতে হিমশিম খেতে হয়। তবুও সামনে জামাইষষ্ঠী, বিক্রি একটু ভালো হবে এই আশায় নানা ধরনের সামগ্রী তৈরি করছেন তাঁরা। তবে কারও কারও আশা গাজোল পৌরসভা ঘোষিত হলে স্থায়ী সাফাইকর্মী হিসেবে কাজ পাবেন তাঁরা।

- Advertisement -