জানুয়ারিতেই চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে চাল রপ্তানি হতে পারে বাংলাদেশে

263

গৌতম সরকার, চ্যাংরাবান্ধা: সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসেই কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা বৈদেশিক বাণিজ্য কেন্দ্র দিয়ে চাল রপ্তানি হতে পারে বাংলাদেশে। ব্যবসায়ী মহল সূত্রে জানা গিয়েছে, চাল আমদানি করতে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে একটা বাড়তি উৎসাহ দেখা দিয়েছে। সেদেশের কোনও কোনও ব্যবসায়ী ভারত থেকে চাল আমদানি করতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

কীভাবে অনুমতি মিলতে পারে, এসব জানতে ইতিমধ্যেই সেদেশের বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের তরফে তথ্য সংগ্রহের কাজও শুরু হয়েছে। চাল রপ্তানির খবরে অনেকটাই খুশি ভারতীয় ব্যবসায়ীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, বাংলাদেশে চাল রপ্তানি চালু হলে তাঁদের অনেকেই লাভবান হবেন। চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকা দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে চাল পাঠানোর খবর কানে আসতেই এই সীমান্ত দিয়ে বাণিজ্য করা বিভিন্ন ব্যবসায়ীও এ নিয়ে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। শুধু প্রস্তুতি নেওয়াই নয়, বাণিজ্য করার জন্য বাংলাদেশের আমদানিকারকদের সঙ্গে চুক্তিপত্র এমনকি লেটার অফ ক্রেডিটও নাকি হয়ে গিয়েছে বলে ব্যবসায়ী মহল সূত্রে খবর।

- Advertisement -

জানা গিয়েছে, চাল আমদানির ক্ষেত্রে রাজস্ব অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে সেদেশের বাণিজ্যমন্ত্রণালয়। পূর্বে রাজস্ব ৬৪ শতাংশ ছিল বর্তমানে সেটা কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। যার কারণেই পুনরায় ভারত থেকে চাল আমদানি করতে এগিয়ে আসছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চ্যাংরাবান্ধা দিয়েও চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই বাংলাদেশে চাল পাঠানো শুরু হতে পারে বলে ব্যবসায়ী মহল সূত্রে খবর। চালের পাশাপাশি গম, পেঁয়াজ ইত্যাদি রপ্তানি চালুও হতে পারে। তবে শুধু চ্যাংরাবান্ধাই নয়, রাজ্যের অন্যান্য স্থলবন্দর দিয়েও ভারত থেকে পুনরায় চাল-গম আমদানি করতে পারে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা।

চ্যাংরাবান্ধা এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিমল কুমার ঘোষ বলেন, ‘চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়েও বাংলাদেশে চাল রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এটা নিয়ে বিভিন্ন স্তরে আলোচনাও চলছে। এটা হলেও অবশ্যই ব্যবসায়ীদের সুবিধা হবে।’ এ বিষয়ে অবশ্য স্থানীয় শুল্ক দপ্তরের কর্তারা মুখ খোলেননি।