হাঁটুজল ভেঙে শ্মশানে যাতায়াত

বিশ্বজিৎ সাহা, মাথাভাঙ্গা : ৩ বছর আগে গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে শ্মশানঘাট তৈরি করা হলেও মূল রাস্তা থেকে সেখানে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য কোনও সংযোগকারী রাস্তা নেই। ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে মৃতের পরিবারের সদস্যদের। তাই শীতলকুচি ব্লকের খলিসামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের খাসবস খলিসামারি শ্মশানে যাওয়ার রাস্তা তৈরির দাবি তুলেছেন গ্রামবাসী।

খলিসামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের খাসবস খলিসামারি এবং সোনার চালুন গ্রামের মাঝে অবস্থিত শ্মশানঘাটের সংযোগকারী রাস্তা তৈরি না হওয়ায় গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের ওপর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা সুভাষ বর্মন বলেন, সংযোগকারী রাস্তার ব্যবস্থা না করে শ্মশানঘাট তৈরি করায় সমস্যা হচ্ছে। আরেক বাসিন্দা জগদীশ বর্মনের অভিযোগ, বছরের অন্য সময়ে শ্মশানঘাট পর্যন্ত দেহ নিয়ে যেতে সেরকম সমস্যা না হলেও বর্ষাকালে হাঁটুসমান জল পেরিয়ে দেহ কাঁধে করে শ্মশানঘাট পর‌্যন্ত নিয়ে যেতে সমস্যায় পড়তে হয়। শ্যামল বর্মন, স্বপনজিৎ বর্মন প্রমুখ জানান, বর্ষাকালে শ্মশানঘাটের দাহ করার স্থানটিও জলে ডুবে যায়। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে সংযোগকারী রাস্তা তৈরির পাশাপাশি দাহ করার স্থানটিরও উচ্চতা বাড়ানো হোক।

- Advertisement -

শ্মশানের সংযোগকারী রাস্তার সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন পঞ্চায়েত প্রধান কৃষ্ণা বর্মন। তিনি বলেন, ওই স্থানে দীর্ঘদিন আগে থেকে মৃতদেহ দাহ করা হয়। ২০১৭-২০১৮ আর্থিক বর্ষে চতুর্দশ অর্থ কমিশনের বরাদ্দে শ্মশানঘাটটি তৈরি হয়েছিল। সংযোগকারী রাস্তা তৈরির জন্য প্রথমে জমি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তীকালে কয়েকজন বেঁকে বসায় সমস্যা হচ্ছে। ১০০ দিনের কাজে মাটির রাস্তা তৈরি করার ক্ষেত্রেও তাঁরা বাধা দিয়েছেন বলে অভিযোগ। তবে তিনি জানিয়েছেন, গ্রাম পঞ্চায়েতের বার্ষিক পরিকল্পনায় সংযোগকারী কংক্রিটের রাস্তাটি ধরা আছে। তিনি বলেন, শীঘ্রই যাঁদের জমির ওপর দিয়ে রাস্তাটি যাবে, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যা মিটিয়ে ফেলা হবে।