নন্দনকাননে ৩-০ টার্গেট রোহিতদের

কলকাতা : আগেও বহুবার নন্দনকাননে পা রেখেছেন।

ফিরেছেন দুহাত ভরা সাফল্য নিয়ে। ২০০১-এর ঐতিহাসিক টেস্টের মিথ এখনও ইডেনের পরতে পরতে। শনিবার ফের প্রিয় সিটি অফ জয়ে। আবারও পা ইডেনের সবুজ মখমলের গালিচাতে। ভূমিকাটাই যা বদলে গিয়েছে।

- Advertisement -

ক্রিকেটার নয়, আজ নন্দনকানন দেখল কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের দায়বদ্ধতা। এদিনই রাঁচি থেকে কলকাতায় পা রেখেছে ভারতীয় দল। রাতের ম্যাচ খেলে ক্রিকেটাররা বিশ্রামে। কিন্তু বিশ্রাম নেই রোহিতদের হেড স্যারের। বিকেল হতে না হতেই মাঠে উপস্থিত। সঙ্গী ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর।

প্রায় মিনিট কুড়ি কাটালেন। বায়োবাবলের কারণে আলাদা গেট দিয়ে ঢুকলেন চারটে নাগাদ। সোজা মাঝের বাইশ গজ। খুটিয়ে দেখলেন কালকের ম্যাচের মূল মঞ্চকে। অভিজ্ঞতার পুঁজি কাজে লাগিয়ে বোঝার চেষ্টা করলেন পিচের চরিত্র। তারপর ফিরে গেলেন। কাল আবার আসবেন দলবল নিয়ে নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করানোর লক্ষ্যে।

জয়পুরের পর রাঁচি। জোড়া কিউয়ি-বধে সিরিজ ইতিমধ্যেই ভারতের পকেটে। কাল নিয়মরক্ষার ম্যাচ। যদিও নতুন হেডস্যারের কাছে কোনওকিছুই কোনওদিন নিয়মরক্ষার ছিল না। কখনও কোনও কিছুকে সহজে পাওয়ায় বিশ্বাস করেননি। কালও যা বদলাবে না, বলাই বাহুল্য। লক্ষ্য পরিষ্কার ৩-০।

শিশির, টস ফের বড়ো ফ্যাক্টর হতে চলেছে। রাঁচির মতো দাপট না দেখালেও, দ্বিতীয় ইনিংসে শিশির প্রভাব ফেলবে। টস গুরুত্বপূর্ণ। ইডেনের টি২০ রেকর্ড বলছে, সাত ম্যাচে পাঁচবার রান তাড়া করা দল জিতেছে। মুখরক্ষার ডুয়েলে প্রথম বল পড়ার আগে অ্যাডভান্টেজ পেতে টস-ভাগ্যের জন্য প্রার্থনা থাকবে দুই শিবিরের।

ব্যাট-বলের ডুয়েলের মাঝে থাকছে সোনালি স্মৃতি উসকে নেওয়ার সুযোগ। ডাগআউটে রাহুল দ্রাবিড়। ভিভিআইপি বক্সে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ইডেন-বেল বাজানোরও কথা মহারাজের। তারসঙ্গে মাঠে রোহিতদের দাপটের হাতছানি। নিয়মরক্ষার ইডেন-যুদ্ধেও রঙের অভাব নেই।