ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে সাবিনা ইয়াসমিন

76

সামশেরগঞ্জ: বর্ষা আসন্ন তাই গত বছরের মতো এবছরও ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটছে সামশেরগঞ্জ বিধানসভা এলাকার গঙ্গা লাগোয়া ধানঘরা, ধুসরিপারা, শিবপুর, হীরানন্দপুর, কামালপুর সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষের। বর্ষার আগে ভাঙনের হাত থেকে এলাকার সাধারণ মানুষকে কতটা স্বস্তি দেওয়া যায় এবং এলাকায় কতটা কাজ করা সম্ভব তা সরেজমিনে দেখতে সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে এলাকা পরিদর্শনে যান রাজ্যের সেচ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। সামশেরগঞ্জ বিধানসভা এলাকায় দুর্গাপুর ধানঘরা ঘাট থেকে শুরু করে ধুলিয়ান ঘাট পর্যন্ত বিস্তীর্ণ ভাঙন প্রবণ এলাকা স্পিড বোটে পরিদর্শন করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের বিদ্যুৎ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী আকরুজ্জামান, জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান, সুতির বিধায়ক ইমানি বিশ্বাস, ফারাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম, ধুলিয়ানের প্রাক্তন বিধায়ক আমিরুল ইসলাম সহ অন্যান্যরা।

সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিদর্শন করলাম সঙ্গে এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সহ আধিকারিকরা ছিলেন। আমি দেখলাম পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ। দীর্ঘ আট কিলোমিটার খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। এখানে পাম্প হাউস রয়েছে, ফেরিঘাট রয়েছে, শ্মশান, কবরস্থান রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি কিছু কাজ করে এলাকাটি বাঁচানোর। প্রকৃতির বিরুদ্ধে লড়াই করা খুবই কঠিন পাশাপাশি কেন্দ্র সরকার দুই হাত তুলে দিয়েছে। ফলে বহুদিন থেকেই ভাঙনের জন্য অ্যালটমেন্ট আসছে না। ফারাক্কা ব্যারেজ তো কোনও কাজই করছে না। কেন্দ্রের তরফে ভাঙন রোধ করার জন্য পর্যাপ্ত টাকা দিচ্ছে না।’

- Advertisement -

তিনি আরও বলেন, ‘রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চেষ্টা করে চলেছেন যাতে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায় যতটা সম্ভব কাজ করা যায়। গঙ্গার মাঝখানে চর পড়ে যাচ্ছে ফলে রাইট ব্যাংকে জলের স্রোত ধাক্কা মারছে এবং সংশ্লিষ্ট গ্রামগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এখানে পাকাপাকিভাবে কাজের জন্য তিনটি বড় স্কিম ধরা রয়েছে। কিছু কাজ ইতিমধ্যেই হচ্ছে। একটা ২৭ কোটি টাকার প্রপোজাল অর্থ দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন মিললেই কাজটা শুরু করা হবে। যেভাবে যেভাবে টাকার ব্যবস্থা হবে সেভাবেই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সেসমস্ত এলাকায় কাজ করা হবে।’