মুম্বইয়ের হয়ে অভিষেক ম্যাচে হার সচিন-পুত্রের

422

মুম্বই: মুম্বইয়ের জার্সিতে অভিষেক হল সচিনের ছেলে অর্জুন তেন্ডুলকরের। প্রায় ৩২ বছর আগে মুম্বইযে জার্সি গায়ে চাপিয়েছিলেন সচিন। কিন্তু বাবার মতো ছেলের অভিষেক সুখের হল না। রঞ্জি ট্রফির ওই ম্যাচে গুজরাটের বিরুদ্ধে অপরাজিত শতরান করেছিলেন সচিন। কিন্তু হরিয়ানার বিরুদ্ধে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০ টুর্নামেন্টের এই ম্যাচে একেবারেই সাদামাটা পারফরমেন্স অর্জুনের। এদিন অর্জুনের মতো মুম্বইয়ের দিনটাও সুখের হল না। দিল্লি, কেরালার পর হরিয়ানার কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল তারা।

১৯৮৮ সালের ১০ ডিসেম্বর রঞ্জি ট্রফিতে অভিষেক হয় সচিনের। সেই ম্যাচে এক ইনিংসই ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছিলেন মাস্টার ব্লাস্টার। তিনি ১০০ রান করার সঙ্গে সঙ্গেই মুম্বই ইনিংস ডিক্লেয়ার দেয। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামতে হয়নি তাঁকে, মুম্বইও ম্যাচ জেতে ৮ উইকেটে। কিন্তু অর্জুনের ক্ষেত্রে বিষয়টি তেমন সুখের হল না। এমনিতেই দলে তাঁকে নেওয়া নিয়ে প্রথম থেকেই বিতর্ক রয়েছে। করোনার কথা মাথায় রেখে এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড সমস্ত রাজ্য দলকে স্কোয়াডে ২২ জন করে খেলোয়ার রাখার অনুমতি দিয়েছে। সেই সূত্রেই দলে এসেছেন অর্জুন। প্রথম দুম্যাচে প্রথম একাদশে আসেননি তিনি। সুযোগ পেলেন তৃতীয় ম্যাচে হরিয়ানার বিরুদ্ধে। বোলিং অলরাউন্ডার হলেও নামলেন ১১ নম্বরে, এক বল খেলারও সুযোগ পেলেন না। এরপর বল হাতে একটি উইকেট পেলেও তিন ওভারে ৩৪ রান দিলেন তিনি। হরিয়ানাও (১৪৪/২) আট উইকেটে হারাল মুম্বইকে (১৪৩)।

- Advertisement -

তবে এদিন সাধারণ পারফর্ম করলেও অর্জুন হতাশ হবেন না বলেই মত তাঁর কোচ তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি বলেছেন, অর্জুন কখনও অনুশীলনে ফাঁকি দেয় না। এরপরে সুযোগ মিললে নিজেকে প্রমাণ করার জন্য ও আরও পরিশ্রম করবে। বাবাকে দেখে ও বিভিন্ন বাধা-বিপত্তি নিয়ে ওয়াকিবহাল। ও জানে লক্ষ্য পূরণের জন্য কী করতে হবে। তাঁর বক্তব্য, সচিনের ছেলে হয়ে ক্রিকেটকে পেশা হিসেবে নেওয়াটা সহজ নয়। প্রতিমুহূর্তে বাবার সঙ্গে তুলনা হবে, বাবাকে ছাপিয়ে যাওয়ার চাপ থাকবে। তবে সকলকে বুঝতে হবে সচিন আর অর্জুন দুজন আলাদা ব্যক্তি।