বিশ্বকাপ বদলে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটকে

মুম্বই : জুন মাস, বিলেতের মাটি।

ভারতীয় ক্রিকেটের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে গিয়েছে। তালিকায় যুক্ত হতে পারত, গত ২৩ জুনও। বিরাট ব্রিগেড যদিও ব্যর্থ নয়া ইতিহাস গড়তে। হতাশার রেশ কাটার আগেই অবশ্য কপিলস ডেভিলসের বিশ্বজয়ের স্মৃতি নিয়ে হাজির ২৫ জুন।

- Advertisement -

৩৮ বছর আগে ঠিক আজকের দিনেই লর্ডসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ভারতের প্রথম বিশ্বজয়। কপিল ব্রিগেডের যে সাফল্য বদলে দেয় ভারতীয় ক্রিকেটের ছবি। পরবর্তী প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করেছিল ক্রিকেট খেলতে। শচীন তেন্ডুলকার যাঁদের অন্যতম। সেদিনের ৯ বছরের ছোট্ট শচীনকে জুগিয়েছিল ক্রিকেট খেলার রসদ। স্পেশাল দিনের স্মৃতিচারণে মাস্টার ব্লাস্টার লিখেছেন, এমন একটা দিন, যা ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসটাকেই বদলে দিয়েছিল।

ক্লাইভ লয়েডের অপ্রতিরোধ্য দলকে হারানোর অন্যতম নায়ক টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি বিনি বলেন, ৩৮ বছর হয়ে গেল। লম্বা সময়। কোনও গল্পই বাকি নেই বিশ্বকাপকে ঘিরে। পিচ মোটেই ওডিআই ক্রিকেটের উপযুক্ত ছিল না। বল বাড়তি নড়াচড়া করছিল। কুঁচকি নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল লয়েডের। কপিল এসে আমাকে বলে, ও ঠিকমতো নড়তে পারছে না। লয়েডের ব্যাটের কাছাকাছি বল রেখো না। কথা মতো বাইরে রাখলাম। দূর থেকে চালাতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে বসে।

টুর্নামেন্ট সেরা মাহিন্দার অমরনাথ সম্পর্কে অন্য একটা গল্প শোনালেন অংশুমান গায়কোয়াড়। ১৯৭৫-এ ওয়েস্ট ইন্ডিজ-অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ ফাইনালে দুজনেই গ্যালারিতে ছিলেন। মাঠে বসে অংশুমানকে মাহিন্দার বলেছিল, দুর্দান্ত হবে, যদি আমরাও একদিন ফাইনালে খেলতে পারি। ২৫ জুন, ১৯৮৩-তে সেই স্বপ্নপূরণ এবং বিশ্বজয়।

প্রাক্তন ওপেনার ও কোচ গায়কোয়াড় বলেন, কেউ ভাবেনি আমরা জিতব। সবাইকে চমকে দিয়ে বিশ্বজয়। আমি দলে ছিলাম না। কপিলরা ফেরার পর ওদের অভিনন্দন জানায়। জিমি (অমরনাথ) ছিল গেমচেঞ্জার। দীর্ঘদিন ইংল্যান্ডের খেলার ফলে পরিবেশ, পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিল। ওর বোলিং, সুইংটাও পারফেক্ট ইংলিশ কন্ডিশনে। বিশ্বকাপে যা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছিল।