কালিয়াচক ও বৈষ্ণবনগরে লালা সংগ্রহ শুরু হল

202

বৈষ্ণবনগর: অবশেষে স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে লালা সংগ্রহ শুরু হল কালিয়াচক ও বৈষ্ণবনগরে। দুই ব্লক মিলিয়ে প্রায় ৬০ জনের লালা সংগ্রহ করা হয়েছে। মালদা মেডিকেল কলেজে সোয়াব পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। কালিয়াচক ও বৈষ্ণবনগরের পরিযায়ী শ্রমিকদের লালা পরীক্ষার পর করোনার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। অন্যদিকে ১৪ দিন কেটে যাওয়ায় বৈষ্ণবনগরের কোয়ারান্টিন সেন্টার থেকে ৩৩ জন পরিযায়ী শ্রমিকদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কালিয়াচকের মোট ২৪ জনের লালা সংগ্রহ করা হয়।

এদিকে সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী কোয়ারান্টিন সেন্টারগুলি তুলে নেওয়া হবে। পরিযায়ী শ্রমিকদের বাইরে থেকে ফিরলে হোম কোয়ারান্টিনে থাকতে হবে। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহল থেকে। কোয়ারান্টিন সেন্টারগুলি থেকে লালা রস সংগ্রহ করা হলেও গ্রামের মধ্যে গিয়ে এখনও তা হয়নি, তার উপর কোয়ারান্টিন সেন্টারগুলি তুলে দেওয়া হলে সমস্যা বাড়তে পারে বলে অনুমান স্থানীয়দের। কোয়ালিটিন সেন্টার তুলে নিলে হু-হু করে গ্রামের মধ্যে ঢুকে পড়বে পরিযায়ী শ্রমিকেরা। যদিও সোমবার থেকে ফের পিটিএস মোড়ের চেকপোষ্টে কঠোর দৃষ্টি রাখতে শুরু করেছে প্রশাসন। ভিন রাজ্য থেকে ফিরে আসা প্রত্যেক শ্রমিকের নাম-ঠিকানা লিখে রাখা হচ্ছে। কিন্তু সবথেকে বড় প্রশ্ন, মুম্বইয়ের মত জায়গা থেকে ফিরে বা অন্য কোনও রেড জোন থেকে গ্রামে ঢোকার পরে শ্রমিকরা হোম কোয়ারান্টিনে থাকছে কিনা বা কিভাবে থাকছে সেই সমস্ত বিষয় তদারক করার কোনও পদক্ষেপ নেই বলেই অভিযোগ।

- Advertisement -

এরই মধ্যেই বাখরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার দেওনাপুর গ্রামে দু’জন শ্রমিক মুম্বই থেকে ফিরেছেন। প্রধানের দাবি তাদের হোম কোয়ারান্টিনে রাখা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত তাদের লালা পরীক্ষা হয়নি। যদিও ব্লক প্রশাসনের কাছে সমস্ত তথ্য দেওয়া রয়েছে। বৈষ্ণবনগরের বিএমওএইচ দেবাঙ্কুর বর্মন বলেন, ‘অনন্তপুরের কর্মতীর্থ এবং সাউথ মালদা কলেজের কোয়ারানটিন সেন্টারে থাকা  শ্রমিকদের করোনার রিপোর্ট নেগেটিভ। ভয়ের কোনও কারণ নেই।’ অপরদিকে কালিয়াচক বিএমওএইচ ডাঃ পারভেজ আলম বলেন, ‘কালিয়াচকের মোট ২৪ জনের লালা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সকলের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।’ কালিয়াচক-৩ নম্বর ব্লকের বিডিও গৌতম দত্ত বলেন, ‘প্রথম পর্যায়ে মোট ৩৩ জনের লালা সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে পরিযায়ী শ্রমিকদের লালা সংগ্রহ করা হবে। সব বিষয়ে তদারকি চলছে। চেকপোষ্টে প্রত্যেকের থার্মাল স্ক্রিনিং করার পর তাদের নাম ঠিকানা লিখে রাখা হচ্ছে।’