কোচবিহার-২ ব্লকে সক্রিয় বালি-মাটি চুরি চক্র, নীরব প্রশাসন

140

পুণ্ডিবাড়ি: সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বিঘার পর বিঘা কৃষি জমি খনন করে মাটি তোলা হলেও জানে না ভূমি রাজস্ব দপ্তর। ভোটের আবহে প্রতিটি সরকারি দপ্তরের কর্মীরা নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বালি ও মাটি চুরি চক্র। কোচবিহার-২ ব্লকের গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের থানেশ্বর এলাকায় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা এবং রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বিঘার পর বিঘা কৃষিজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় উদ্বিগ্ন স্থানীয় প্রশাসন ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর।

সূত্রের খবর, এক শ্রেণীর মাফিয়া এই কাজ করছে। কৃষিজমি থেকে প্রচুর পরিমাণে মাটি তোলা হচ্ছে। আর এর পেছনে প্রশাসনের মদত রয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। এভাবে বিঘার পর বিঘা কৃষিজমি খনন করার ফলে পার্শ্ববর্তী কৃষিজমি ধসে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তাছাড়া দিনরাত ট্রলিতে মাটি বহন করার ফলে এলাকার রাস্তা বেহাল হয়ে পড়েছে। মাফিয়াদের ভয়ে স্থানীয়দের কেউই মুখ খোলার সাহস পান না। এবিষয়ে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ করা উচিত বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

- Advertisement -

এবিষয়ে গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুব্রত চকদার বলেন, ‘আমরা বিষয়টি একাধিকবার ভূমি দপ্তর, পুলিশ ও প্রশাসনকে জানালেও কেউ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।’ যদিও বিষয়টি নিয়ে ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক সুভাষচন্দ্র রায় বলেন, ‘আমি সম্প্রতি কোচবিহার-২ ব্লকের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগদান করার পরপরই নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। সেই কারণে সমস্ত এলাকা পরিদর্শন করা হয়নি। আপাতত ছুটিতে আছি। খুব শীঘ্রই অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হবে। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে যারা অবৈধভাবে এই কারবার চালাচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’