এলাকায় ঠিকমতো হচ্ছে না স্যানিটাইজেশনের কাজ, ক্ষোভ বাসিন্দাদের

200

গয়েরকাটা: এলাকা ঠিকমতো স্যানিটাইজ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে সরব হলেন ধূপগুড়ি ব্লকের সাকোয়াঝোরা ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা। অভিযোগ, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের আম্বাডিপায় করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার পর শেষ বারের মতো মাস দেড়েক আগে ওই এলাকা স্যানিটাইজ করা হয়। কিন্তু করোনা আবহের মধ্যেও এলাকায় নির্দিষ্ট সময় পরপর স্যানিটাইজেশনের কাজ না হওয়ায় ক্ষোভ ছড়াচ্ছে এলাকায়।

গয়েরকাটার সাপ্তাহিক হাটে প্রতি রবিবার বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকেরা ক্রয় বিক্রয়ের কাজে ভিড় জমান। ইতিমধ্যে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ এলাকাবাসীর স্বার্থে সাতদিনের লকডাউন ঘোষণা করছে৷ এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানালেও এলাকাবাসীদের অভিযোগ, গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে এলাকায় স্যানিটাইজেশনের কাজ হচ্ছে না। সম্প্রতি বানারহাট থানা এলাকায় মোট ২১ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। যাঁরা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে গয়েরকাটার ওপর দিয়ে যাতায়াত করেছেন বলে দাবি বাসিন্দাদের। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত এলাকায় স্যানিটাইজেশন কাজ করা। যদিও এই প্রতিবেদক মারফত এলাকাবাসীর দাবি নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ১৪/২১১ পার্টে স্থানীয় পঞ্চায়েতের উদ্যোগে স্যানিটাইজেশনের কাজ শুরু হয়েছে। তবে প্রতিটি পার্টে স্যানিটাইজেশন না হওয়ায় ক্ষোভ রয়েছে।

- Advertisement -

স্থানীয় সিপিআইএম নেতা বিরাজ সরকার বলেন, ‘গয়েরকাটায় সাপ্তাহিক হাটে প্রচুর বহিরাগত মানুষের আগমন হয়। পাশাপাশি পাশের এলাকায় অনেক পুলিশকর্মী ও সাধারণ মানুষ করোনা সংক্রামিত হয়েছেন। সেক্ষেত্রে গ্রাম পঞ্চায়েতের উচিত ছিল কিছুদিন পরপর এলাকায় স্যানিটাইজ করা। কিন্তু তারা সেদিকে আমলই দিচ্ছে না। মানুষের স্বার্থে দ্রুত এলাকা স্যানিটাইজ করা দরকার।’

স্থানীয় বিজেপি নেতা নিমাই দেবনাথ বলেন, ‘এই সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল এলাকা স্যানিটাইজ করা। প্রতিটি সর্ব দলীয় সভায় এই বিষয়ে আমাদের তরফে দাবি জানানো হয়। দুঃখের বিষর সেটাই কর হচ্ছে না।’

যদিও এই বিষয়ে সাকোয়াঝোরা ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার অর্ধ্যেন্দু পাল বলেন, ‘আমরা গুরুত্ব অনুযায়ী গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাগুলি স্যানিটাইজ করছি। দু-একদিনের মধ্যে এলাকা স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই বিষয়ে প্রধানের সঙ্গে কথা হয়েছে।’