সরস্বতীর বরাত কম, চিন্তায় প্রতিমা শিল্পীরা

110

চালসা: রাত পোহালেই বাগদেবী সরস্বতী পুজো। ব্যস্ততা দেখা দিয়েছে কুমোরটুলিতে। প্রতিমা তৈরির কারখানাগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের তুলির টান। দুর্গাপুজো, কালিপুজো ও লক্ষীপুজোর পর এবার প্রতিমার কারখানাগুলোতে তৈরি হচ্ছে সরস্বতী প্রতিমা। তবে, এবছর স্কুল পুরোপুরি খোলেনি, কলেজ বন্ধ। করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পুজোকে নিয়ে তেমন উৎসাহ নেই। তাই পুজোয় প্রতিমার বরাতও কম এসেছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে প্রতিমা শিল্পীদের।

চালসায় একটিমাত্র প্রতিমা তৈরির কারখানা। সেই বিমল প্রতিমা কারখানায় চলছে শেষ মুহূর্তের সরস্বতী প্রতিমা তৈরির কাজ। কারখানার মালিক বিমল রায় মারা যাওয়ার পর ওনার ছেলে দিলীপ রায় কারখানার হাল ধরেছেন। করোনা আবহে দুর্গাপুজো, কালিপুজো ও লক্ষীপুজোয় সেইভাবে ব্যবসা করতে পারেনি প্রতিমা শিল্পীরা। তবে, আশা রেখেছিলেন সরস্বতীপুজোয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং বরাত পাবেন বলেও মুখিয়ে ছিলেন তাঁরা। কিন্তু স্কুল খুললেও, কলেজ বা অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলেনি। মুলত স্কুল ও কলেজগুলোতে বড় করে সরস্বতীপুজোর আয়োজন করা হয়। তবে, এবার সেই রকম কোনও উৎসাহ নেই। সেই কারণে সেভাবে বরাত মেলেনি শিল্পীদের।

- Advertisement -

প্রতিমা শিল্পী দিলীপ রায় জানান, খুব ছোট ছোট প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। স্কুল, কলেজগুলো থেকে সেই ভাবে অর্ডার আসেনি। কয়েকটি বেসরকারি স্কুল, ক্লাবের অর্ডার এসেছে। এই কারখানা থেকে প্রতিমা বিভিন্ন চা বাগান সহ গ্রাম্য এলাকায় যায়। তবে, এবার প্রতিমার দামও বাড়ানো হয়নি।