প্রতিবন্ধকতাকে হারিয়ে প্রদীপ-মোমবাতি তৈরি করে স্বনির্ভরতার স্বপ্নপূরণ সাবীত্রিদের

85

বাগ্রাকোট: বিশেষভাবে সক্ষম হওয়া সত্বেও থেমে নেই ওঁরা। প্রতিদিনের নিয়ম মেনে আপন খেয়ালে দীপাবলির আগে রঙবেরঙের প্রদীপ, ধূপকাঠি ও মোমবাতি তৈরির কাজ করে চলেছেন নিরলস ভাবে। সাবিত্রী শর্মা, শান্তি ভুজেল, ঠুলো বইনি, সুমিত্রা ওরাওঁদের মতো আরও অনেকেই এখন সকাল থেকে ভীষন ব্যস্ত। প্রত্যেকেই বিশেষভাবে সক্ষম। কারও শ্রবণশক্তি কম, কারও বা কথা বলতে সমস্যা। কেউ আবার ঠিকঠাক চলতে পারেন না। তবুও বাগ্রাকোট চা বাগানের বাসা লাইনে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘নিঃস্বার্থ’র কারখানায় নিয়ম করে প্রতিদিন আসেন তাঁরা। বিশেষ প্রশিক্ষণের পর এখন দিনে চার ঘণ্টা কাজ করে প্রদীপ, মোমবাতি ও ধূপকাঠি তৈরি করছেন এরা। যার মধ্যে দিয়ে পাওয়া পারিশ্রমিকে অত্যন্ত খুশি প্রত্যেকেই।

‘নিঃস্বার্থ’র বাগ্রাকোট ইনচার্জ প্রভাত শর্মা বলেন, ‘ধূপকাঠি, প্রদীপ ও মোমবাতি তৈরিই শুধু নয়, সংস্থার উদ্যোগে চা বাগানের শ্রমিক পরিবারের ছেলে মেয়েদের অত্যন্ত কম খরচে এখানে কম্পিউটার শেখানো হয়। একইসঙ্গে একটি ‘ডিফ অ্যান্ড ডাম্ব’ স্কুলও চলছে এই সংস্থার উদ্যোগে।’ সংগঠনের তৈরি জিনিসপত্র রোটারী ক্লাব অফ উত্তরায়ন এবং বিলিভারস লেডিস ক্লাবের সহায়তায় নিয়মিত বিক্রি করা হয়। ‘নিঃস্বার্থ’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বাগ্রাকোট চা বাগানের প্রাক্তন ম্যানেজার হর্ষ কুমার বলেন, ’শুধু বাগ্রাকোট নয় ডুয়ার্স- তরাইয়ের বিভিন্ন চা বাগানে সংগঠনের কাজ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।‘

- Advertisement -