মেখলিগঞ্জের জনসভা থেকে তৃণমূলকে একহাত নিলেন সায়ন্তন বসু

128

মেখলিগঞ্জ: মেখলিগঞ্জের জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে একহাত নিলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা মেখলিগঞ্জে প্রবেশ করে। সেই উপলক্ষ্যে মেখলিগঞ্জ উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে একটি জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল দলের তরফে। এদিনের জনসভায় উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য কমিটির সহ সভাপতি দীপেন প্রামাণিক, দলের জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি বাপী গোস্বামী, জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ডাক্তার জয়ন্ত রায় সহ প্রমুখ। এদিনের জনসভা থেকে একদিকে যেমন আয়ুষ্মাণ ভারত থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় জনকল্যাণমূলক প্রকল্প গুলি কে তুলে ধরেন বিজেপি নেতারা অন্যদিকে তেমনি তৃণমূল কংগ্রেস কে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে একহাত নেন তাঁরা। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা পরেশ চন্দ্র অধিকারী, লক্ষ্মীকান্ত সরকারের নাম ধরে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপি নেতৃত্ব।

জনসভা থেকে বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, ‘এদিন মেখলিগঞ্জ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শৈলেন দাস সহ শতাধিক ফরোয়ার্ড ব্লক ও তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন। বিজেপি ২০০ বেশী আসন পেয়ে রাজ্যে সরকার গড়বে। বিজেপি হিন্দু মুসলিম প্রভেদ করে না। শ্রম দপ্তরের মন্ত্রী জাকির হোসেনের ওপর আক্রমণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন গরুপাচারের বকরা নিয়ে ঝামেলার দরুণ ঘটনাটি ঘটেছে।’ সায়ন্তন বসু বলেন, ‘মেখলিগঞ্জে তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে অনেক চোর-ছেচোড় আছে। অনেকেই বিজেপিতে আসার জন্য চেষ্টা করছেন। এদের অধিকাংশকেই দলে নেওয়া হবে না‌। তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা চাল, ডাল, বালি, গোরু, মাটি থেকে শুরু করে করোনার ভ্যাকসিন পর্যন্ত চুরি করে নিচ্ছে।‘ বিজেপির সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় আসলে উত্তরবঙ্গের যুবক উত্তরবঙ্গে কাজ পাবে বলেও তিনি বলেন। তিনি আরও বলেন, ‘আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দিদির পুলিশ প্যারেড করবে ও দাদার পুলিশ ভোট করাবে। সিআরপিএফ দিয়ে ভোট হবে। লাঠির বাড়ি মেরে গুন্ডামি বন্ধ না করতে পারলে রাজনীতি করা ছেড়ে দেব।‘

- Advertisement -