নয়াদিল্লি, ১০ নভেম্বরঃ দেশের ৮টি রাজ্যে হিন্দুরা সংখ্যালঘু। এই মর্মে দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলার আবেদনে সাড়া দিল না সুপ্রিম কোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ আবেদনকারীকে জানায়, এই সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন। সেখানেই এই আবেদন করার পরামর্শ দেয় শীর্ষ আদালত। আইনজীবী অশ্বিনীকুমার উপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলায় জম্মু-কাশ্মীর, পাঞ্জাব, লাক্ষাদ্বীপ, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, মনিপুর এবং মিজোরাম-এই আটটি রাজ্যে হিন্দুদের সংখ্যালঘুর তকমা দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন।

সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের কারিগরি শিক্ষায় কেন্দ্র ২০,০০০ বৃত্তি দেয়। জম্মু ও কাশ্মীরে মুসলিমরা ৬৮.৩০ শতাংশ। সেখানে ৭৫৩টির মধ্যে ৭১৭টি স্কলারশিপ মুসলিম পড়ুয়ারা পেয়েছে। একজন হিন্দুও পায়নি স্কলারশিপ।
তিনি ২০১১-র সেনসাস উল্লেখ করে বলেন, লাক্ষাদ্বীপ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়, জম্মু ও কাশ্মীর, অরুণাচল, মনিপুর ও পঞ্জাবে হিন্দুরা হল যথাক্রমে জনসংখ্যার ২.৫, ২.৭৫ , ৮.৭৫, ১১.৫৩, ২৮.৪৪, ২৯, ৩১.৩৯ ও ৩৮.৪০ শতাংশ।
তাই ওই রাজ্যগুলিতে হিন্দুদের সংখ্যালঘু ঘোষণা করতে হবে। ভারতীয় সংবিধানে ১৯৯৩ সালের নির্দেশ অনুযায়ী কেন্দ্র মুসলিম, খ্রীষ্টান, শিখ, বৌদ্ধ এবং পার্সি সম্প্রদায়কে সংখ্যালঘু তকমা দিয়েছিল।
২০১৪ সালে জৈন সম্প্রদায়ও ওই তালিকাভুক্ত হয়। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের সেনসাস অনুযায়ী, ওই ৮ রাজ্যে অন্য সম্প্রদায়ের তুলনায় হিন্দুরা সংখ্যায় কম।