আগামী মরশুমে নজর এসসি ইস্টবেঙ্গলের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : গত কয়েক মরশুম ধরেই ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ফুটবলারদের থেকে সমর্থক, সকলেরই একটা হাহাকার ছিল। দলে বাঙ্গালি ফুটবলারের বড়োই অভাব। যাঁরা স্কোয়াডে থাকেন, তাঁরাও প্রথম একাদশে সুযোগ পান না।

 

- Advertisement -

ক্লাব কর্তারা অন্যান্য প্রদেশের ফুটবলারদের যতটা গুরুত্ব দেন, তার ছিঁটেফোটাও দেন না ঘরের ছেলেদের। ফলে মেহতাব হোসেনের পর নিয়মিত লাল-হলুদ জার্সি পরা বাঙ্গালি আর তেমন কেউ দলে ছিলেন না। এবার নতুন বিনিয়োগকারি সংস্থার সৌজন্যে সেই কষ্টের অনেকটাই লাঘব। আর জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে তো একঝাঁক বঙ্গ তনয় দাপিয়ে খেললেন রবিবাসরীয় বিকেলে। আর তাতেই বাজিমাত। বহিস্কৃত চিফ কোচ রবি ফাওলার। দল পরিচালনা করছেন সহকারি টনি গ্রান্ট। তিনি জানালেন, আসলে আমরা দলটাকে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করছি। এত ফুটবলার মাঠে নামাচ্ছি কারণ ওদের পরখ করে নেওয়া হচ্ছে। যাতে পরের মরশুমের জন্য একটা ভালো দল গড়া যায়। এই যে সার্থক গোলুই ও সৌরভ দাশ সদ্য দলে যোগ দিয়েছে। কিন্তু খেলেছে একেবারে পেশাদারী মানসিকতা নিয়ে কারণ ওদের সেটাই বলা হয়েছিল। পরের ম্যাচে ওদের আরও ভালো খেলতে হবে। এখান থেকে ওদের আরও উন্নতি করতে হবে। অঙ্কিত মুখোপাধ্যায় ও রাজু গায়কোয়াড় আসায় ডিফেন্সে ভারসাম্য এসেছে।

জামশেদপুরের বিরুদ্ধে দূরন্ত ফর্মে থাকা দেবজিৎ মজুমদারের বদলে সুব্রত পালকে খেলান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেবজিৎকে আমরা এখনও পর্যন্ত যতটা খেলানো যায় ততটাই খেলিয়েছি। আর সেই সুযোগকে ও নিজে ভরপুর কাজে লাগিয়েছে। এখন সুব্রতকে যখন নিয়ে আসা হয়েছে তখন ওরও উচিত সুযোগ পাওয়া। তার মানে কিন্তু এই নয় যে দেবজিৎকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আসলে পরিবর্ত তৈরি করা হল। কোচের না থাকা সমস্যা তৈরি করছে কি না জানতে চাওয়া হলে গ্রান্টের মন্তব্য, আমরা সকলেই বড় ক্লাবে খেলেছি, কাজ করেছি। কোচের অভাব অবশ্যই অনুভব করছি। কিন্তু আমরা সাপোর্ট স্টাফরা একে অন্যকে অনেকদিন ধরে জানি। তাই মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হয় না। আসলে সব ম্যাচেই আমরা জিততে মাঠে নামি। কিন্তু বিভিন্ন কারণে হয়ত জেতা হয়ে ওঠে না। কখনও ন্যায্য পেনাল্টি পাই না, আবার কখনও পেয়ে যাই। প্রচুর গোলের সুযোগ কাজে লাগান যায়নি। এসব কারণেই সমস্যা থেকে গিয়েছে।