তপশিলি জাতি-উপজাতি পড়ুয়াদের স্বার্থ রক্ষা করেনি রাজ্য, সরব সুখবিলাস

73

জলপাইগুড়ি: তপশিলি জাতি ও উপজাতির পড়ুয়াদের স্বার্থরক্ষার প্রশ্নে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন জলপাইগুড়ির বিধায়ক সুখবিলাস বর্মা। শুক্রবার জলপাইগুড়িতে জেলা কংগ্রেসের তপশিলি সেলের সভায় রাজ্যের প্রাক্তন অনগ্রসর সম্প্রদায়ের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি তথা কংগ্রেস তপশিলি সেলের পচিমবঙ্গের সভাপতি তথা জলপাইগুড়ির বিধায়ক সুখবিলাস বর্মা জানান, পশ্চিমবঙ্গে তিন শতাধিক তপশিলি জাতি এবং আদিবাসী সম্প্রদায় ভুক্ত শিক্ষাত্রীদের জন্য তৈরি করা ছাত্রাবাসের ঝাঁপ বন্ধ। গুটিকয়েক ছাত্রাবাস চালু থাকলেও তা বসবাসের অযোগ্য। রাজ্যে প্রায় দু কোটি পঞ্চাশ হাজার তপশিলি সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছেন। অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক সহ অন্যান্য  রাজ্যে তপশিলি জনসংখ্যা  কম থাকলেও ছাত্রাবাসের  সংখ্যা  বেশি। পচিমবঙ্গে তপশিলি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষকে ভাঁওতা দিচ্ছে এই রাজ্যের সরকার। এছাড়াও রাজ্যকে বিঁধে তার তোপ, ‘এই রাজ্যে পুরোমাত্রায় জাতপাতের ভেদাভেদ রয়েছে। দুর্ভাগ্যের হলেও বলতে বাধ্য হচ্ছি যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বিচারকের আসনে কোনো তপশিলি সম্প্রদায়ের মানুষকে বসানো হয়নি।’ তাঁর ক্ষোভ, রাজ্যে কোনও মন্ত্রীসভাতেই গুরুত্বপূর্ণ পদে তপশিলি সম্প্রদায়ের জনপ্রতিনিধিদের আসীন করা হয়নি।  তপশিলি সম্প্রদায়ের জনপ্রতিনিধিদের বন ও পর্যটন দপ্তরের মতো বিভাগ নিয়েই তুষ্ট থাকতে হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় মুখে তপশিলি ও আদিবাসীদের জন্য দরদের কথা বললেও রাজ্য বাজেটে তপশিলি ও আদিবাসীদের উন্নয়ন খাতে অর্থ কমেছে। মুখ্যমন্ত্রী তপশিলি সম্প্রদায়ের জন্য বেশ কয়েকটি পৃথক বোর্ড গঠন করেছে।  এই বোর্ডগঠন আসলে বিভেদের রাজনীতির হাতই শক্ত করেছে।