লকডাউনে তৈরি যোগসূত্র, ২৫ বছর পর পুনর্মিলন

103

মালবাজার : করোনা সংকট থেকে বাঁচতে লকডাউন চলছে। তবে ২৫ বছর আগে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাওযা বন্ধুদের মধ্যে এই লকডাউনে যোগসূত্র তৈরি হল। লকডাউন শিথিল হতে রবিবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুনর্মিলন হল। তবে করোনা প্রতিরোধে যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি এবং নিয়ম বজায় রাখা হয়।

১৯৯৫ সালে মাল আদর্শ বিদ্যাভবন থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন নরেন্দ্র সিনহা, ফুলদীপ মজুমদার, সুদীপ্ত দাস, সিন্টু সাহা, গৌতম মিত্র, দীপঙ্কর সমাদ্দার, অরিন্দম বিশ্বাস, অভীক চৌধুরী প্রমুখ। তারপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেকে এখন নানা এলাকায় কর্মব্যস্ত। ক্যালেন্ডারের পাতা উলটে ২৫টি বছর পার হয়ে গিয়েছে। নিজেদের মধ্যে আর সেভাবে নিবিড় যোগাযোগ হয়নি। লকডাউনই নতুন করে পথ দেখাল তাঁদের। মূলত শিলিগুড়ির দেশবন্ধুপাড়ায় থাকা নরেন্দ্র সিনহা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করে পুরোনো বন্ধুদের মধ্যে যোগসূত্র তৈরি করেছিলেন। শৈশবের স্মৃতি রোমন্থন করে শিকড়ের সন্ধানের তাগিদ অনুভব করেন সকলেই। লকডাউন শিথিল হলে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেই পুনর্মিলন হল। শিলিগুড়ি, মালবাজার, ডামডিম, নাগরাকাটা, চালসায় থাকা বন্ধুরা মাল শহরে আসেন। সেখান থেকে পুরোনো স্কুল মাল আদর্শ বিদ্যাভবনের সামনে কিছুক্ষণ কাটিয়ে নেওড়া নদীর পাড়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পুনর্মিলন হল।

- Advertisement -

এঁদের মধ্যে নরেন্দ্র সিনহা বলেন, লকডাউনই আমাদের সকলকে একত্রিত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। আমাদের সকলের মধ্যে বিক্ষিপ্তভাবে যোগাযোগ ছিল। লকডাউনে হাতে অনেকটা সময় পেয়ে হোযাটসঅ্যাপ গ্রুপে যোগাযোগ হয়েছে। আমরা শৈশব-কৈশোর ফিরে পেয়েছি। শিলিগুড়ি থেকে আসা কুলদীপ মজুমদার বলেন, আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই আয়োজন করেছি। মাল শহরের অভীক চৌধুরী বলেন, পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমরা বড়ভাবে সমস্ত বন্ধুদের নিয়ে পুনর্মিলন করব।