জলের তোড়ে ভেসেছে স্কুল, হেলদোল নেই প্রশাসনের

155

মেখলিগঞ্জ: গতবছর বর্ষায় মেখলিগঞ্জের কুচলিবাড়ির তিস্তার ফকতের চরের ২৫ তিস্তা পয়স্তি শিশুশিক্ষাকেন্দ্রের ঘরের একাংশ নদী ভাঙনে তলিয়ে যায়। বাকি ঘরের একটি দেওয়াল বাদে গোটা ঘর নদীর স্রোতে ভেঙে গিয়েছে। নদীতে ঝুলে রয়েছে মিড ডে মিলের রান্নার ঘরও। অবশিষ্ট অংশ জলের তোড়ে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্কুলটি সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের দারস্থ হয়েছিল এলাকার মানুষ। অভিযোগ, স্কুল বাঁচানোর জন্য কোনও পদক্ষেপ করেনি প্রশাসন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এর ফলে সমস্যায় পড়বে প্রায় ১৩০ জন পড়ুয়া। কিন্তু স্কুলটি সংস্কার বা অন্যত্র সরিয়ে না নিলে স্কুল খুললেও এলাকার পড়ুয়ারা পড়তে পারবেন না। শিশুরা নদী পেরিয়ে স্কুল যেতে পারে না। অভিভাবকদের অভিযোগ, চরের এই স্কুল নিয়ে হেলদোল নেই প্রশাসনের।  আবুল কালাম বলেন,’স্কুল যখন খোলা ছিল তখন স্কুলে অনিয়মিত ছিল দুই সহায়িকারাই। মাসে দুই একদিন আসতো। এনিয়ে বারবার অভিযোগ করার পরও হাল ফেরেনি স্কুলের। প্রশাসনের আধিকারিক থেকে জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েও লাভ হয়নি।’

- Advertisement -

আক্ষেপের সুরে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য কিরণ বালা ওরাওঁ বলেন, ‘প্রশাসনের আধিকারিকদের এনিয়ে বলতে বলতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছি।’ এসএসকের ভারপ্রাপ্ত সহায়িকা উষা রায় পোদ্দার বলেন, ‘এনিয়ে আমরা ব্লক প্রশাসনের দারস্থ হয়েছি।আশ্বাস দিয়েছে বর্ষার পর কাজ শুরু হবে।’

যদিও মেখলিগঞ্জের বিডিও অরুণ কুমার সামন্ত বলেন, ‘আমি খোঁজ নিয়ে দেখে কি পদক্ষেপ করা যায় তা খতিয়ে দেখছি।‘