২০২১-এর আগে করোনা ভ্যাকসিন বাজারে আনা সম্ভব নয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক

530

অনলাইন ডেস্ক: করোনার থাবায় বিপর্যস্ত দেশ। প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রামিতের সংখ্যা।

দেশ-বিদেশের একাধিক সংস্থা করোনার ভ্যাকসিন তৈরির জন্য গবেষণা চালাচ্ছে। একাধিক সংস্থা ক্লিনিকাল ট্রায়ালেরও অনুমতি পেয়েছে। সকলেই ভ্যাকসিন আবিস্কারের দিকে তাকিয়ে, এই অবস্থায় খারাপ খবর শোনাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক।

- Advertisement -

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক জানিয়েছে, ২০২০-তে কোনওভাবেই মানুষের ব্যবহারের জন্য করোনা ভ্যাকসিন বাজারে আনা সম্ভব নয়। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ-এর আগে দাবি করে ১৫ আগস্টের মধ্যে বাজারে করোনার টিকা আনবে ভারত। এই অবস্থায় ভারত সরকারের বিজ্ঞান মন্ত্রকের এই বিবৃতি যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “পুনের আইসিএমআর ইনস্টিটিউশান ন্যাশনাল ইন্সস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি, হায়দরাবাদের সেন্টার ফর সেলুলার মলিকুলার বায়োলজি এবং ছ’টি ভারতীয় কোম্পানি মিলে করোনা ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চালাচ্ছে। বিশ্বের অন্যান্য় ভ্যাকসিনের সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে কোভ্যাক্সিন এবং জিকোভ-ডি নামক দেশের দুটি ভ্যকসিন হিউম্যান ট্রায়ালের ছাড়পত্র পেয়েছে। তবে কোনও অবস্থাতেই ২০২১-এর আগে এই ভ্যাকসিন ভারতের বাজারে আনা সম্ভব নয়।”

আইসিএমআর গত শুক্রবার জানিয়েছিল, ১৫ অগাস্টের মধ্যে ভারতের বাজারে আসতে চলেছে করোনা ভ্যাকসিন। এই সময়ের মধ্যে মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান সব রকমের ট্রায়ালও সেরে ফেলবে বলে জানানো হয়েছিল। যদিও অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস ও ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সস-এর মতো সংস্থাগুলি এই বিবৃতির সঙ্গে সহমত পোষণ করেনি।

বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ জানান, বেশি তাড়াহুড়ো করে এই ভ্যাকসিন বাজারে আনলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাঁদের মতে, স্বাভাবিকভাবে ট্রায়াল সারতেই ১২ থেকে ১৮ মাস লেগে যায়। সেক্ষেত্রে ওই অল্প সময়ের মধ্যে বাজারে ভ্যাকসিন আনা সম্ভব নয়।