জেলা তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির দ্বিতীয় বার্ষিক সম্মেলন

131

গঙ্গারামপুর: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে লক্ষ্য করে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির দ্বিতীয় বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল রবিবার। গঙ্গারামপুর রবীন্দ্র ভবনে আয়োজিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাজ্য সভাপতি অশোক রুদ্র, চেয়ারম্যান শ্যামাপদ পাত্র, সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ রায়, তৃণমূল জেলা সভাপতি গৌতম দাস, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান বিপ্লব মিত্র, জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা রায়, তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সভাপতি সুখলাল হাঁসদা প্রমুখ। এছাড়াও ছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ১৭টি সার্কেলের প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

শোভাযাত্রা, সংগঠনের পতাকা উত্তোলন এবং প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এদিন তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের বার্ষিক সম্মেলনের সূচনা করা হয়। এদিনের সম্মেলনে তৃণমূল সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পকে শিক্ষকদের সামনে তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি আগামী বিধানসভা নির্বাচনে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সক্রিয়ভাবে তৃণমূল দলের হয়ে প্রচার অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

- Advertisement -

পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাজ্য সভাপতি অশোক রুদ্র জানান, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের শিক্ষক সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে এই বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। তৃণমূল সরকার সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে ৬৯টি উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু করেছে। রাজ্য সরকারের এই প্রকল্পগুলোকে সাধারণ নাগরিকদের বাড়ি বাড়ি প্রচার করবার জন্য এদিনের এই সভায় শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় প্রাথমিক শিক্ষকদের ট্রান্সফার প্রক্রিয়া চালু থাকলেও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় সেভাবে এই প্রক্রিয়া সক্রিয় নেই কেন? এ প্রশ্নের উত্তরে অশোকবাবু বলেন, ‘দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় একেবারে প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ট্রান্সফার হয়নি এমন নয়, অল্প হয়েছে। তবে এবিষয়ে অনেক প্রস্তাব রয়েছে। সেগুলি আগামীদিনে সরকারের কাছে পাঠানো হবে এবং সেইমতো কাজ হবে।’

তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি সুখলাল হাঁসদা বলেন, ‘দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ১৭টি চক্রের প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়ে আজ এই বার্ষিক সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে। মূলত বিজেপির জনবিরোধী নীতি ও আগ্রাসন রুখতে এবং এই বিষয়ে শিক্ষকদের সচেতন করতে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী দিনে ত্রিপুরার মতো এই রাজ্যের শিক্ষকরা যাতে চাকরি না হারান, তার জন্যই আজকের এই সভায় বিশেষ আলোচনা করা হয়েছে।’