আচার তৈরি করে স্বনির্ভর মৌসুমীরা

114

মানিকগঞ্জ: মৌসুমী রায়, নমিতা রায়, পারমতি রায় সকলেই আলোর নতুন পথের দিশারী। প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকার দরিদ্র মানুষদের জন্য নতুন দিশা দেখাচ্ছে সরকারি প্রকল্প। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের ১০ জন মহিলাকে সরকারি উদ্যোগে বাণিজ্যিকভাবে হাতে কলমে বিভিন্নরকম আচার তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় জলপাইগুড়ি আত্মা প্রকল্প ও সদর ব্লক কৃষি দপ্তরের তরফে। প্রশিক্ষণ পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার থেকে নিজেরাই আচার তৈরির কাজ শুরু করল স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ওই মহিলা সদস্যরা। এই কাজে তাঁদের উৎসাহ ও সহযোগিতা করে দাসপাড়া ফার্মার্স ক্লাব।

শুক্রবার প্রথমে তেঁতুলের আচার তৈরি করে তাক লাগিয়েছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা। সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে তাঁরা উৎপাদন করছেন বাণিজ্যিকমানের আচার। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের খারিজা বেরুবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জুরিবান্দি গ্রামের পুরুষরা বাইরে কাজে যান। সংসারের হাল ধরতে বাড়ির মহিলারা একপ্রকার কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন। পরবর্তীতে পথ খোঁজার তাগিদে নাম লেখান স্বনির্ভর দলে। মৌসুমী রায়, নমিতা রায়, পারমতি রায় সহ মোট ১০ জন মিলে গড়ে তোলেন যীশু মহিলা স্বনির্ভর দল। ঘুঘুডাঙ্গার দাসপাড়া ফার্মার্স ক্লাবের সম্পাদক দশরথ দাসের পরামর্শে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে স্বনির্ভর হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।

- Advertisement -

যীশু স্বনির্ভর দলের দলনেত্রী মৌসুমী রায় বলেন, ‘আজকে আমরা তেঁতুলের আচার তৈরি করে তা বাজারজাত করার কাজ সম্পন্ন করলাম। পরবর্তীতে আমার আরও অন্যান্য আচার তৈরি করব।‘

ঘুঘুডাঙ্গার দাসপাড়া ফার্মার্স ক্লাবের সম্পাদক দশরথ দাস বলেন, ‘আচার তৈরির বিভিন্ন উপকরণ কেনার জন্য জলপাইগুড়ি আত্মা প্রকল্পের তরফে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এতা উপকৃত হবেন অনেকেই।‘