করোনা টিকার জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমোদন চাইল সেরাম

284
প্রতীকী ছবি

নয়াদিল্লি: জরুরি ভিত্তিতে করোনা ভাইরাস টিকার ব্যবহারের জন্য ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার (ডিসিজিআই) কাছে আবেদন জানাল সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (এসআইআই)। করোনা পরিস্থিতিতে বিশাল সংখ্যক মানুষের স্বার্থে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেন্ট’-এর অনুমোদন চাওয়া হয়েছে, যে সম্ভাব্য টিকা যৌথভাবে তৈরি করেছে অ্যাস্ট্রোজেনেকা এবং সেটির উৎপাদন করেছে সেরাম।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অক্সফোর্ডের ‘ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেন্ট’-এর তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু করেছে সেরাম। এতে সহায়তা করছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর)। গতমাসে আইসিএমআর-এর তরফে জানানো হয়েছিল, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় পর্যায়ের ক্নিনিকাল ট্রায়ালের ফলাফলের উপর নির্ভর করে জরুরি ভিত্তিতে কোভিশিল্ড ব্যবহারের আবেদন জানানো হবে। আইসিএমআর-এর হিসাব অনুযায়ী, অনুমোদন পাওয়ার আগেই করোনা টিকার চার কোটি ডোজ তৈরি করে ফেলেছে সেরাম। জানা গিয়েছে, সেরামের তরফে আবেদনে মোট চারটি ক্নিনিকাল পরীক্ষার উল্লেখ করা হয়েছে। যার মধ্যে দুটি ব্রিটেনের এবং ভারত এবং ব্রাজিলের তরফে একটি করে পরীক্ষার ফল রয়েছে। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যেসব করোনা সংক্রামিতের উপসর্গ রয়েছে এবং গুরুতর করোনা সংক্রমণের ক্ষেত্রে এই কোভিশিল্ড অত্যন্ত কার্যকরী হয়েছে।

- Advertisement -

সেরামের আবেদনের বয়ান উল্লেখ করে একটি সূত্র জানিয়েছে, কোভিশিল্ড সুরক্ষিত এবং সহনশীল। পাশাপাশি বলা হয়েছে, এই টিকা ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সংরক্ষণ করে রাখা যায় বলে দেশের শহরাঞ্চলের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় বণ্টনের ক্ষেত্রেও তা উপযুক্ত। টিকা উৎপাদনকারী সংস্থার সরকার এবং নিয়ন্ত্রক বিষয়ক অতিরিক্ত অধিকর্তা প্রকাশ কুমার সিংয়ের স্বাক্ষরিত সেই আবেদনে ‘আত্মনির্ভর ভারত’, ‘ভোকাল ফর লোকাল’ এবং ‘বিশ্বের জন্য ভারতে তৈরি’-র মতো বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে দেশের নাগরিকদের স্বার্থে টিকার ছাড়পত্র দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।