রায়গঞ্জে পুলিশকর্মীর বাড়িতে শুটআউট ঘিরে ঘনীভূত রহস্য

226

রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জে পুলিশ কর্মীর বাড়িতে ঢুকে গুলি চালিয়ে একজনকে খুন ও দুজনকে জখম করার ঘটনায় একসময় ওই বাড়িতে ভাড়া থাকা দুই বিএসএফ জওয়ান ও তাঁদের পরিবারের দিকেই অভিযোগ উঠছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাপন রায় ও রিপন রায় নামে দুই বিএসএফ জওয়ান তাঁদের পরিবার নিয়ে কিছুদিন আগেও ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। বাপন ও রিপন দুজনেই বর্তমানে লুধিয়ানায় কর্মরত। গুলিতে গুরুতর জখম সুজয়কৃষ্ণ মজুমদারের বাবা প্রাক্তন পুলিশকর্তা নিখিলরঞ্জন মজুমদার অসুস্থ। ভাড়াটে পরিবারটি নিখিলরঞ্জনবাবুর দেখভাল করত বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি তাদের সঙ্গে কোনও বিষয়ে সুজয়কৃষ্ণ মজুমদার ও তাঁর বোনদের বিবাদ হয়। এরপরই বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যায় পরিবারটি। সেই বিবাদের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে।

গতকাল রাত সাড়ে নটা নাগাদ রায়গঞ্জের দেবীনগর এলাকায় পুলিশকর্মী সুজয়কৃষ্ণ মজুমদারের বাড়িতে হানা দেয় দুই পুরুষ ও চার মহিলা। মহিলাদের হাতেও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। বাড়িতে ঢুকে এলোপাতারি গুলি চালানোয় মৃত্যু হয় সুজয়কৃষ্ণ মজুমদারের বোন দেবী সান্যালের। গুরুতর জখম হন সুজয়বাবু নিজে ও তাঁর আরেক বোন রূপা অধিকারী। রূপাদেবী ও সুজয়বাবুর চিকিৎসা চলছে। ঘটনার পর থেকে থমথমে গোটা এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দারা কেউই বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না। সুজয়কৃষ্ণ মজুমদারের বাবা বৃদ্ধ নিখিলরঞ্জন মজুমদার বাড়িতেই রয়েছেন। আছেন তার একজন আয়াও। এদিন পুলিশ একাধিকবার তদন্তের প্রয়োজনে ওই বাড়িতে যায়। ঘটনায় এক মহিলাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

- Advertisement -