মন্তেশ্বরে প্রচারে দলের নেতা-কর্মীদের সেভাবে পাশে পেলেন না সিদ্দিকুল্লাহ

139

বর্ধমান: দলের নেতা-কর্মীদের মানভঞ্জন করতে করতেই কেটে গেল সারাটা দিন। আর তাই নির্বাচনী প্রচারের প্রথম রবিবার সেই অর্থে সাড়া ফেলতেই পারলেন না পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। এদিকে, প্রথম রবিবারের প্রচার ও জনসংযোগে তৃণমূল প্রার্থী ধাক্কা খাওয়ায় উৎফুল্ল বিরোধী শিবির।

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে ২০১৬ সালে মঙ্গলকোট বিধানসভা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। জয়লাভ করে রাজ্যের মন্ত্রী হন তিনি। তবে, অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে তাঁর মত বিরোধ লেগেই ছিল শুরু থেকে। বিষয়টি নিয়ে বহুবার দল নেত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন খোদ সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। তারই মধ্যে ভোট ঘোষনার অনেক আগেই মন্তেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ক শৈকত পাঁজা বিজেপিতে যোগদান করে বসায় বরাত খুলে যায় সিদ্দিকুল্লাহর। তবে মন্তেশ্বরের প্রার্থী হয়েও তাঁর স্বস্তি নেই।

- Advertisement -

প্রর্থী হিসেবে মনোনীত হতেই রবিবার মন্তেশ্বরে পা রাখেন সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। কিন্তু দলের সর্বস্তরের নেতা ও কর্মীদের থেকে তিনি বিশেষ আপ্যায়ন পাননি। কেউ প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ না করলেও সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীকে নিয়ে দলের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যেই ক্ষোভের চোরাস্রোত বইতে থাকে সারাটা দিন। দুপুর পর্যন্ত চলে মান ভঞ্জনের পালা। মেমারী-২ ব্লকের সাতগাছিয়া ও মন্তেশ্বরের দলীয় কার্যালয়ে দুপুর পর্যন্ত কুসুমগ্রাম এলাকায় ব্লক স্তরের কোনোও কর্মীকেই তাঁকে সঙ্গ দিতে দেখা যায়নি। পরে ব্লক সভাপতি ইসমাইল শেখ সহ অন্যান্য নেতা ও কর্মীদের বিরাগভাজন কাটিয়ে বিকাল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ মন্তেশ্বরের কুসুমগ্রামে মিছিল করেন তিনি। মিছিল অবশ্য সাড়া জাগানো মিছিলের রূপ পায়নি। এই বিষয়ে সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমের কাছে বিশেষ মুখ খুলতে না চাইলেও ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছেন, সোমবার থেকে জোরদার ভাবে মিটিং মিছিল শুরু হবে।

জেলা বিজেপি সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, ‘গোটা রাজ্যের পাশাপাশি মন্তেশ্বরেও তৃণমূল শিবিরে এখন মাৎস্যন্যায় শুরু হয়েছে। সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী যতই যাই করুন, মন্তেশ্বরে এবার পদ্ম ফুটছেই।