২০ হাজার টাকা সহ নথি ছিনতাই, আটক ১

100

রায়গঞ্জ: ফের ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটল রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের লিফটে। অভিযোগ, রবিবার দুপুরে এক রোগীর আত্মীয়ের পকেট থেকে কুড়ি হাজার টাকা সহ তিনটি এটিএম কার্ড নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে এক যুবক। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। রোগীর পরিজনদের তৎপরতায় পুলিশের জালে ধরা পড়ল এক যুবক। ক্ষুব্ধ জনতা মারধোর করে তাকে। ঘটনায় জখম অভিযুক্ত রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রজন সেলে চিকিৎসাধীন। অন্যদিকে, এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে খবর। তার খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ওই যুবকের নাম বাজন মহম্মদ। রায়গঞ্জ থানার বরুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। এক সঙ্গীকে নিয়ে সে এদিন রোগীর আত্মীয়ের পকেট থাকা কুড়ি হাজার টাকা তিনটি এটিএম কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করে। সেই সময় বাজন ধরা পড়লেও তার সঙ্গী ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায়। এদিকে, ঘটনার পরেই হাসপাতালে কর্তব্যরত এক পুলিশ অফিসার ওই যুবককে হেফাজতে নিতে গেলে ক্ষুব্ধ রোগীর আত্মীয়রা তাকে মারধর করে। যদিও, চুরি যাওয়া জিনিস এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

- Advertisement -

অভিযুক্ত বাজন মহম্মদ বলেন, ‘রাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম তাঁকে সঙ্গে করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। জাহাঙ্গীর রোগীর পরিজনের পকেট থেকে জিনিসপত্র চুরি করে পালিয়ে যায়। মাঝখানে আমি ধরা পড়ে যাই। আমাকে হাসপাতালের রোগীর আত্মীয়রা মারধর করে অজ্ঞান করে দেয়।‘

রোগীর আত্মীয় মাসিদুর রহমান বলেন, ‘এদিন ভোর রাতে প্রসব বেদনা নিয়ে আমার স্ত্রীকে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করি। সকালে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্টিনে টিফিন করে স্ত্রীকে দেখার জন্য লিফটে উঠতে যাই। তখন আচমকাই পকেট থেকে মানি ব্যাগ নিয়ে চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করে দুটি ছেলে। একজন পালিয়ে গেলেও অপরজনকে ধরে ফেলি।‘

রায়গঞ্জ থানার এক পুলিশ আধিকারিক জানান, মূল অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলমের খোঁজ চলছে। অপর অভিযুক্ত বাজন মহম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আপাতত পুলিশি পাহারায় প্রিজন সেলে চিকিৎসা চলছে।