শিলিগুড়ি, ১৮ ফেব্রুযারিঃ আবর্জনায় ভরে গিয়েছে পুরনিগমের ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ কলোনি ১ নম্বর রোড। অভিযোগ, বেশকিছু মাস ধরে এলাকায় বাঁশিওয়ালার দেখা না মেলায় এই পরিস্থিতি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় পর্যাপ্ত ভ্যাট না থাকায় তাঁরা বাড়ির আশপাশের খালি জায়গাগুলোতেই ময়লা ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন। এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য এলাকার বাসিন্দারা ফের সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট পরিসেবা দ্রুত চালু করার দাবি জানিয়েছেন। যদিও এলাকায় আবর্জনা জমার পেছনে এলাকাবাসীর অসচেতনতাকেই দায়ি করেছেন ওয়ার্ড কাউন্সিলার রীতা ওরাঁও। সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট বন্ধের অভিযোগটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

ওয়ার্ডের নিউ কলোনি ১ নম্বর রোডে প্রায় আড়াইশো বাসিন্দা বসবাস করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার মুন্সী নুরুল ইসলামের সময় বাসিন্দাদের সুবিধার জন্য সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট পরিসেবা চালু হয়। কয়েকবছর ধরে বাঁশিওয়ালারা বাড়ি বাড়ি থেকে আবর্জনা নিয়ে গেলেও বিগত কয়েকমাসে এই পরিসেবা পুরোপুরি বন্ধ হযে গিয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এলাকার বাসিন্দা অজয় দাস, মালতি রায়দের কথায, গত বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট পরিসেবায় ব্যাঘাত ঘটতে শুরু করে। এরপর ধীরে ধীরে পুরো পরিসেবাই বন্ধ হযে গিয়েছে। এলাকায় পর্যাপ্ত ভ্যাটও নেই। বাড়িতে ময়লা জমতে থাকায় বাধ্য হয়ে আমরা সেগুলি আশপাশের খালি জাযগায় ফেলতে বাধ্য হচ্ছি। স্থানীয় বাসিন্দা অর্জুন দাস বলেন, দিনের পর দিন আবর্জনার পরিমাণ বাড়তে থাকায় এলাকাজুড়ে এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। বসবাস অযোগ্য এই পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য ওয়ার্ড কাউন্সিলারের কাছে দ্রুত এবিষযে নজর দিযে ফের সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট পরিসেবা চালু করার অনুরোধ করব।

কাউন্সিলার রীতা ওরাওঁ বলেন, ‘সাফাইকর্মীরা এলাকায় নিয়মিত সাফাই চালালেও স্থানীয়দের অসচেতনতার কারণেই আবর্জনা জমছে। এবিষয়ে সকলকে সচেতন হতে হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘বাঁশিওয়ালা ঠিকঠাক এলাকায় যাচ্ছে বলেই জানা রয়েছে। তবে ওয়ার্ড মাষ্টারের সঙ্গে কথা বলে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট পরিসেবা বন্ধের অভিযোগটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’