বায়োবাবলে থাকতে চাননি রোহিত-হার্দিকরা!

মুম্বই : কোটি কোটি টাকায় তৈরি বায়োবাবল ব্যর্থ।

কঠোর সুরক্ষা বলয় ভেদ করে ক্রিকেটারদের শরীরে হানা দেয় করোনা ভাইরাস। যার জেরে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ। আপাতত স্থগিত আইপিএল। কেন এমন হল, তা নিয়ে নানারকম কারণ, ব্যাখ্যা উঠে আসছে। চলছে চুলচেড়া বিশ্লেষণও। এদিন আবার নতুন একটা চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল।

- Advertisement -

একের পর এক ক্রিকেটাররা করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের একঝাঁক ক্রিকেটার বায়োবাবলে থাকতেই রাজি ছিলেন না। রোহিত শর্মা, হার্দিক পান্ডিয়া, সূর্যকুমার যাদবরা বায়োবাবল ভেঙে বাড়ি ফিরতে চেয়েছিলেন। আর এই চমকপ্রদ খবরটা জানিয়েছেন স্বয়ং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ফিল্ডিং কোচ জেমস প্যামেন্ট। ভারত থেকে নিউজিল্যান্ডে ফিরে প্যামেন্ট এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আইপিএলে করোনা হানার পরও নিজেদের কখনই অসুরক্ষিত বোধ করিনি। বরং মনে হচ্ছিল, এই জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকলেই আমরা নিরাপদ। তবে দলের বেশ কিছু ভারতীয় ক্রিকেটার আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এতটাই ভয় পেয়ে যায়, বায়োবাবল ছেড়ে বাড়ি ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে।

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কিউয়ি ফিল্ডিং কোচ জেমস প্যামেন্ট বলেন, ভারতীয় ক্রিকেটারদের অনেকেই পরিবার নিয়ে বায়োবাবলে ছিল। অন্যান্য দলের একাধিক খেলোয়াড়ের আক্রান্তের খবরে ওদের পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। বিশেষত, চেন্নাই দলের খবরটা সামনে আসার পর। কারণ কয়েকদিন আগেই সিএসকের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলেছিলাম আমরা। যা পুরো পরিস্থিতি বদলে দেয়। আর এই ভয়ে কারণেই ওরা আর বায়োবাবলে থাকতে চাইছিল না। আমরা বোঝালেও, কাজের কাজ হয়নি। আইপিএল স্থগিতের পিছনে এটাও অন্যতম কারণ।

ভারতে করোনা প্রকোপ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ৭০ হাজার দর্শক রেখে আমেদাবাদে ইংল্যান্ড-ভারত টেস্ট আয়োজনের মতো ঘটনাকেও দায়ী করলেন প্যামেন্ট। তাঁর মতে, এত সংখ্যক দর্শক রেখে টেস্ট ম্যাচ করাটা কিছুটা হলেও অবিবেচকের মতো কাজ হয়েছে। এখন তো আমেদাবাদ কোভিডের হট-স্পট।