অতুলের সিদ্ধান্তের বিরোধীতা, তৃণমূল প্রার্থীকে সমর্থনে ‘না’ কেপিপি-র একাংশের

246

রাজগঞ্জ: রাজগঞ্জের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথা জানিয়ে কেপিপি (কামতাপুর প্রগ্রেসিভ পার্টি)-র কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অতুল রায় এলাকা ছাড়তেই বেঁকে বসলেন স্থানীয় নেতাদের একটা বড় অংশ। তাঁরা সাফ জানিয়েছেন, তৃণমূল প্রার্থীকে কোনওভাবেই সমর্থন নয়। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সমর্থন জানাবেন কামতাপুর ভূমিপুত্র মহাজোটের প্রার্থীকেই। তবে বিক্ষুব্ধ নেতাদের মতবিরোধ ইস্যুকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে নারাজ অতুল রায়। তাঁর বক্তব্য়, নিচু স্তরের যারা বিরোধীতা করছেন তাদের আমি চিনি না। অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী খগেশ্বর রায় বলেন, ‘কামতাপুর প্রগ্রেসিভ পার্টি আমাকে সমর্থন করেছে।’

তৃণমূল প্রার্থী খগেশ্বর রায়কে সমর্থন ইস্যুতে রবিবার রাজগঞ্জের ফুটকি পাড়ায় প্রার্থীর উপস্থিতে বৈঠক হয় কেপিপির নেতৃত্বাধীনে। মূলত, ক্ষোভ-বিক্ষোভ প্রশমনেই এই বৈঠক হয়। তবে, বাস্তবে তার কোনও প্রতিফলন পড়েনি বললেই চলে। যদিও বৈঠক শেষে অতুল রায় বলেছিলেন, দলের তরফে তৃণমূলকে সমর্থন জানানো হলেও রাজগঞ্জে দুই দলের স্থানীয় নেতাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। তাই ক্ষোভ ভুলে একসঙ্গে চলার বার্তা দিতে যৌথ সভা করা হল।

- Advertisement -

অতুল রায়ের নেতৃত্বাধীনে কেপিপি ও তৃণমূলের যৌথ বৈঠকের ২৪ ঘণ্টা পেড়তে না পেড়তেই কেপিপির একটা বড় অংশ বিরোধীতার সুর চড়ান। অতুল রায়ের সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে তারা স্পষ্ট করেন, কামতাপুর ভূমিপুত্র মহাজোটের প্রার্থীকেই তারা সমর্থন করবেন। সেক্ষেত্রে সোমবার একপ্রস্থ বৈঠকও সেরে নেন তাঁরা।

বৈঠক শেষে কেপিপির রাজগঞ্জ ব্লক কমিটির প্রাক্তন ব্লক সভাপতি মহম্মদ মজিবুল বলেন, ‘তৃণমূলকে সমর্থন করেছে কেপিপির কেন্দ্রীয় কমিটি। কিন্তু স্থানীয়ভাবে খগেশ্বর রায়কে সমর্থন জানাব না আমরা।’ একই সুরে কেপিপির এক সদস্য রবি রায় বলেন, ‘এত বছর থেকে জোটে থেকেও উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের সমর্থনে একটিও কেপিপি প্রার্থী দেওয়া হচ্ছে না। অথচ পাহাড়ের জনজাতির জন্য তিনটি প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই উত্তরবঙ্গের জনজাতির ৮টি সংগঠন নিয়ে তৈরি হওয়া কামতাপুর ভূমিপুত্র মহাজোটের প্রার্থীর হয়ে ভোটে লড়ব।’