প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক হলেন সোমেন পুত্র রোহন

476

কলকাতা: প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত হলেন প্রয়াত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রের পুত্র রোহন মিত্র। প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত হয়েই তিনি গান্ধি পরিবারের প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। মাত্র পাঁচ বছর হল রোহনবাবু সক্রিয় রাজনীতিতে এসেছেন। তিনি এদিন বলেন, ‘কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি ও তাঁর পরিবার যেভাবে বাবা সোমেন মিত্রকে পরপর তিনবার প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত করেছেন, তাতে আমরা এমনিতেই গান্ধি পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞ।’ বাবার মৃত্যুর পর বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী যেভাবে তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাতেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন রোহনবাবু।

এদিন অধ্যাপক প্রদীপ ভট্টাচার্যকে কংগ্রেসের কো-অর্ডিনেশন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োজিত করা হয়েছে। সোমেন মিত্র ঘনিষ্ঠ বাদল ভট্টাচার্য ও দিব্যেন্দু মিত্রকে করা হয়েছে যথাক্রমে কনভেনার ও কো-কনভেনার। প্রণব পুত্র অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়কে ক্যাম্পিং কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে। আর তুলসী মুখোপাধ্যায়কে করা হয়েছে কনভেনার। বিধায়ক তথা রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নানকে ম্যানুফেস্টো কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে। আর ওই কমিটির কনভেনার করা হয়েছে অমিতাভ চক্রবর্তীকে।

- Advertisement -

১১ জনকে সহ সভাপতি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন বিধায়ক অসিত মিত্র, সুখবিলাস বর্মা, সরদার আমজাদ আলি, আব্দুস সাত্তার, ডিপি রায়, দীপ্তমান ঘোষ, প্রশান্ত দত্ত, দেবব্রত বসু, ডাঃ মায়া ঘোষ, মোঃ মুক্তার ও রিতেশ দত্তকে। সম্পাদক করা হয়েছে ১৪ জনকে। রোহন মিত্র ছাড়াও ওই তালিকায় রয়েছেন মনোজ চক্রবর্তী, মুস্তাক আলাম, কাজী আবদুর রহমান, কৃষ্ণা দেবনাথ, সুজয় ঘটক, প্রীতম ঘোষ, ঋজু ঘোষাল, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়, অভিজিৎ ভট্টাচার্য, খাজা আহমেদ, মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, বর্ণালী দে ও সানিয়া জাভেদ। কোচবিহার জেলার সভাপতি হয়েছেন কেশবচন্দ্র রায়। আর ওই জেলার কার্যকরী সভাপতি হয়েছেন পার্থপ্রতিম ঈশোর ও রবীন রায়। আলিপুরদুয়ার জেলার সভাপতি হয়েছেন মিলনকান্তি জামাল।