বাউন্সি পিচেই বিরাটদের ফাইনাল-পরীক্ষা

সাদাম্পটন : ইংলিশ কন্ডিশন মানে মেঘ-রোদ্দুরের অদ্ভুত খেলা।

দিনভর আবহাওয়ায় ভোলবদল। এই ঝলমলে আকাশ তো পরক্ষণেই মেঘের আনাগোনা। যার সঙ্গে বদলে যাওয়া বাইশ গজে ব্যাট-বলের টক্করের আবহ। আগামী শুক্রবার এমনই কঠিন চ্যালেঞ্জকে সঙ্গী করে ফাইনাল পরীক্ষায় বসছে টিম ইন্ডিয়া। চ্যালেঞ্জটা আরও কঠিন করে দিতে চলেছে- ফাইনালের মঞ্চ এজিয়েস বোলের উইকেট।

- Advertisement -

বাউন্স, গতি, সুইংয়ের ককটেলে আগুনে পিচের পূর্বাভাস। ইঙ্গিত স্বয়ং এজিয়েস বোলের প্রধান পিচ প্রস্তুতকারক সাইমন লি-র। বলেন, নিরপেক্ষ কেন্দ্র হিসেবে পিচ প্রস্তুতির দায়িত্ব। ফলে চাপ কিছুটা কম। আইসিসিও তদারকি করেছে। তবে আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দলের কথা মাথায় রেখে উইকেট তৈরি করা। দুই দলই যাতে সমান সুবিধা পায়। গতি, বাউন্স থাকবে। বল ক্যারি করবে। ব্যাটসম্যানদের কাছে দ্রুত বল যাবে। ফলে পেসাররা যেমন সুবিধা পাবে, তেমনই ধৈর্য ধরতে পারলে, রান করাও সম্ভব।

প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের জন্য সাদাম্পটনকে বেছে নেওয়া। ঐতিহাসিক ম্যাচের জন্য পিচ তৈরির দায়িত্ব। গর্বের চোরাস্রোত সাইমন লি-র গলাতেও। দায়িত্বের মর্যাদা রাখতে বদ্ধপরিকর। মাথাব্যথা বলতে ইংল্যান্ডের খামখেয়ালি কন্ডিশন। লি-র কথায়, যেকোনও মুহূর্তে আবহাওয়া বদলে যেতে পারে ইংল্যান্ডে। এখনও পর্যন্ত বৃষ্টির কোনো পূর্বাভাস নেই। চড়া রোদ থাকবে। তবে পিচের তাজা ভাবই থাকবে। অযথা রোলিংয়ের পথে হাঁটব না। কারণ এরফলে উইকেট ভেঙে যেতে পারে।

পেস-সহায়ক পরিস্থিতি, উইকেট থাকলে কিছুটা হলেও এগিয়ে নিউজিল্যান্ড। কিউয়িরা এই ধরনের পরিবেশে খেলে অভ্যস্ত। তবে টম ল্যাথাম কিন্তু এভাবে ফাইনালের অঙ্ক কষতে নারাজ। বরং বিরাট ব্রিগেডকে যথেষ্ট সমীহের চোখে দেখছেন। কেন উইলিয়ামসনের ডেপুটি ল্যাথাম বলেন, ইংল্যান্ড সিরিজ দুর্দান্ত কাটল। এবার ফোকাস টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে। প্রস্তুতি খুব ভালো হয়েছে। এবার দ্রুত ফোকাস বদলের প্রয়োজন। কারণ ফাইনালে প্রতিপক্ষ আলাদা। ভারত যথেষ্ট শক্তিশালীও। ওদের বোলিং ইউনিট দুর্দান্ত। বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে রান করার মতো দক্ষ ব্যাটসম্যান রয়েছে। ফাইনালে সাফল্য পেতে সেরাটা দিতে হবে আমাদের।