বেহালায় শোভন বৈশাখীর সভাকে ঘিরে ধুন্ধুমার

116

কলকাতা: পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুসারে রবিবার বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের অধীন রবীন্দ্রনগর বাসস্ট্যান্ডে ছিল বিজেপির সভা। ওই সভার মূল বক্তা হিসাবে ছিলেন আধুনা বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায় ও তার ছায়া সঙ্গিনী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক ছিল সভা অনুষ্ঠিত হবে বিকাল সাড়ে পাঁচটায়। অভিযোগ, ওই সভার নির্ধারিত সময়ের প্রায় দু’ঘণ্টা আগে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায় প্রায় শ’দেড়েক বাইক সহ তৃণমূলের কর্মীদের নিয়ে বিজেপির সভাস্থল ও তৎসংলগ্ন রাস্তায় এদিনের সভা সম্পর্কে বিজেপির পক্ষ থেকে যেসব ছবি ও ফেস্টুন লাগানো হয়েছিল সব ছিঁড়ে ফেলে। তারা নাকি ঘোষণা করে দিয়ে যান যাঁরা এদিনের সভায় যোগ দেবেন তাঁদের বাড়িতে এদিন রাতে হামলা চালানো হবে। এসবের পরেও প্রায় হাজার দেড়েক সমর্থকের বাইক বাহিনী নিয়ে সভাস্থলে এসে হাজির হন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। স্থানীয় লোকের বক্তব্য যে,  এদিন সবার আগেই সভাস্থলে পৌঁছে রত্না চট্টোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন যে শোভন চট্টোপাধ্যায় একলা এলে তাদের কোন আপত্তি নেই। কিন্তু বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে আসলে তারা ছেড়ে কথা বলবেন না। তবে ওইসব হুমকিকে উপেক্ষা করেই শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় রবীন্দ্রনগর বাসস্ট্যান্ডে তাদের সভা শেষ করেন। এদিন যেখানে ঐ সভা অনুষ্ঠিত হয় সেই জায়গাটি ছিল শোভন চট্টোপাধ্যায় পৈতৃক বাড়ি থেকে সামান্য দূরে। তাই সেখানকার তৃণমূল নেতা নেত্রীরা সবাই ছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বিশেষ পরিচিত। এদিনের ওই সভায় শোভন চট্টোপাধ্যায় দলের পক্ষে বক্তব্য রাখার সঙ্গে সঙ্গে কেন তাঁর পৈতৃক বাড়ি ছেড়ে গিয়েছেন এবং কেনই বা তার স্ত্রীর সঙ্গে মামলায় অবতীর্ণ হয়েছেন সে ব্যাপারেও বক্তব্য রাখেন।