সরকারি সাহায্য থেকে বঞ্চিত বিশেষভাবে সক্ষম আরিয়ান

119

আলিপুরদুয়ার: বিশেষভাবে সক্ষম হয়েও মেলেনি ভাতা। অভিভাবকরা বিভিন্ন জায়গায় ভাতার জন্য আবেদন করেছে। তবুও হয় নি সুরাহা। এমনই গল্প ১০ বছরের আরিয়ান ছেত্রীর। জন্ম থেকেই বিশেষভাবে সক্ষম সে।সংসারের খরচ চালায় তাঁর বাবা। বাড়িতে মা আর ঠাকুমার কাছেই বড় হয়ে উঠছে আরিয়ান। তাঁরা কালচিনি ব্লকের পোরো ভুটিয়া বস্তি এলাকার বাসিন্দা।

আরিয়ানের পরিবার আগে বসবাস করত জয়ন্তীর কাছে রাজাভাতখাওয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ভুটিয়া বস্তিতে। ১৯৯৩ সালের বন্যার পর পুনর্বাসন হওয়ায় গোটা পরিবার ১৯৯৪ সালে পাটকাপাড়া চা বাগান এলাকায় চলে যায়। ওই এলাকাই হয়ে ওঠে ভুটিয়া বস্তি। এই এলাকার বাসিন্দাদের রাজাভাতখাওয়া গ্রাম পঞ্চায়েত প্রশাসন থেকেই এখনও দেখভাল করা হয়। এখানেই আরিয়ানের জন্ম। ২০১৬ সালে প্রতিবন্ধীর শংসাপত্রও পায় আরিয়ান। যেখানে বলা হয় আরিয়ান ৯০ শতাংশ বিশেষভাবে সক্ষম।

- Advertisement -

আরিয়ানের পরিবারের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের মানবিক ভাতা পাচ্ছে না আরিয়ান। আরিয়ানের বাবা জিত বাহাদুর ছেত্রী পরিযায়ী শ্রমিক। মা নীল কুমারী ছেত্রী বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করেও ছেলের মানবিক ভাতা পাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেনি। নীল কুমারী বলেন, ‘ভাতা কেন পাচ্ছিনা সেটাই জানি না। কত জায়গায় গিয়ে কাগজ জমা দিয়েছি, কিছুই হয়নি। দুয়ারে সরকার শিবিরেও কাগজ জমা দিয়েছি। এখনও কিছু হয়নি। সংসার চালাতে খুবই অসুবিধা। এই জায়গায় কোনও কাজও নেই। যদি ভাতাটা পাওয়া যায়,তাহলে কিছু সুবিধা হয়।’ রাজাভাতখাওয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ববি লামা বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে খোঁজ খবর করে দেখা হবে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।’