ছটপুজোর আগে ডালি সাজানোয় ব্যস্ত ফুলঘরের কর্মীরা

440

দিনহাটা: ছটব্রতীদের কাছে একটি একটি পবিত্র উপকরণ হচ্ছে বাঁশের তৈরি ডালি। এই ডালিতে করেই পুজোর সামগ্রী নিয়ে ঘাট নিমন্ত্রণ থেকে সূর্যপুজোয় অংশ নেন ছটব্রতীরা। একসময় ছটব্রতীরা ডালিগুলি সাদামাটাভাবে ব্যবহার করলেও বর্তমানে ডালিগুলিকে সাজিয়ে তুলতে তাঁরা ভিড় করছেন শহরে ফুলঘরগুলিতে। উদ্দেশ্য একটাই, সেগুলিকে দর্শনীয় করে তোলা। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই ছটপুজোর আগে ব্যস্ততা বেড়েছে ফুলঘরের কর্মীদের।

বৃহস্পতিবার গোসানিরোডের একটি ফুলের দোকান গিয়ে দেখা গেল ফুলঘরের থাকা কর্মীরা ডালি সাজাতে বেশ ব্যস্ত। কেউ ডালিয়ে রঙ বেরঙের কাগজ জড়াচ্ছেন, কেউ বাঁশের ওপর রঙিন জড়ি লাগাতে ব্যস্ত। এবিষয়ে স্থানীয় ফুলের দোকানের কর্মী বাবাই সাহা জানান, গত কয়েকবছরে ডালি সাজানোর প্রতি ছটব্রতীদের আগ্রহ অনেকটাই বেড়েছে। এর ফলে ছটপুজোর আগে তাঁদের ব্যস্ততা খানিকটা বেড়েছে।

- Advertisement -

এই ডালি সাজিয়ে তাঁদের আয়ও বেশ ভালো হচ্ছে বলে জানান তাঁরা। আরেক কর্মী দীপঙ্কর বর্মন জানান, ছটব্রতীরা তাঁদের ডালি পুজোর দুদিন আগেই দোকানে নিয়ে আসেন। এরপর তারা যেভাবে সাজাতে চান, সেভাবেই সাজিয়ে তোলা হয়।  সাজিয়ে তোলার ওপরই দাম নির্ভর করে থাকে। দীপঙ্করবাবু জানান, একটি ডালি সাজাতে ২৫০- ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়ে থাকে।

ছটব্রতী সঞ্জয় রায় জানান, প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও তিনি ডালি সাজাতে দিয়েছেন ফুলঘরে। আগে নিজেরাই রঙ বেরঙের কাগজে সাজাতেন ডালি। কিন্তু সময় বদলেছে তাই চাহিদারও বদল ঘটেছে অনেকটাই। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখে ডালি সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে ফুলঘরের ওপর ভরসা বেড়েছে তাঁদের।