পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের অনুমোদন দিল রাজ্য

957

কলকাতা: কোচবিহারের পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস গড়ে তোলার প্রস্তাবে অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার।রবিবার এই অনুমোদনের কথা জানিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের পাশাপাশি কোচবিহারের খলিসামারিতে রাজ্য সরকারের তৈরি পঞ্চানন বর্মার সংগ্রহশালাও ভবন হিসেবে গ্রহণ করার অনুমোদন পেল এই বিশ্ববিদ্যালয়। খুব শীঘ্রই পঞ্চানন বর্মার অনুরাগীদের দানের জমি অধিগ্রহণ করে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরির কাজ শুরু করবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে রাজনীতিবিদ, আইনজীবী, সমাজ সংস্কারক তথা রাজবংশী নেতা পঞ্চানন বর্মার নামে কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের পথচলা শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির সময় কোচবিহারে দুটি জমি চিহ্নিত করা হয়েছিল। সেই জমি দুটির মধ্যে একটি জমিতে পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসটি রয়েছে। যদিও স্থানীয়রা কোচবিহারের সংস্কারক পঞ্চানন বর্মার জন্মস্থান মাথাভাঙা সাব-ডিভিশনের খলিসামারিতে বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির দাবি জানিয়েছিলেন। স্থানীয়দের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছিলেন পঞ্চানন বর্মা মেমোরিয়াল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট। কিন্তু, সেই সময় সরকারি সিদ্ধান্তে তা কোচবিহারের শহরাঞ্চলে তৈরি হয়েছিল। প্রায় এক দশক পরে দানের জমিতেই দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

- Advertisement -

এদিন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে দুই-তিনটি প্রস্তাব আমাদের কাছে এসেছিল। একটি দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরির ও অন্যটি তাঁর নামাঙ্কিত সংগ্রহশালাটি ভবন হিসেবে গ্রহণ করার প্রস্তাব ছিল। ইতিমধ্যেই পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ক্যাম্পাসের জায়গাটিতে পঞ্চানন নগর নামকরণ করা হয়েছে। বাকি দুটি প্রস্তাবে মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে। এবারে জেলাশাসক, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় মানুষদের সুদীর্ঘ দিনের দাবিকে মেনে অনুমোদন দেওয়ার জন্য শিক্ষাদপ্তরের তরফে যা যা করার, তার জন্য সবুজ সংকেত আমরা দিচ্ছি।”