পিচ বিতর্কে ভনের পাশে নেই স্টোকসরা

আহমেদাবাদ : মাঝে আর একটা দিন।

বুধবার সিরিজের তৃতীয় টেস্ট। গোলাপি বলে দিনরাতের ডুয়েল। পারদ চড়ছে ১-১ টাই ভাঙার ম্যাচ ঘিরে। জোরকদমে চলছে প্রস্তুতিও। দ্বিতীয় টেস্টের জঘন্য হার ভুলে সামনের দিকে তাকাতে বদ্ধপরিকর ইংল্যান্ড। চিপকের পিচ বিতর্কে মাইকেল ভনরা বাজার গরম করলেও, ইংল্যান্ড শিবির ফোকাসটা গোলাপি টেস্টেই রাখছে।

- Advertisement -

গতকাল স্টুয়ার্ট ব্রড বলেছিলেন। আজ বেন স্টোকসও একই সুরে পিচবিতর্ক কার্যত উড়িয়ে দিলেন। ইংল্যান্ড অলরাউন্ডারের যুক্তি, পরিস্থিতি যেরকমই হোক না কেন, মানিয়ে নিতে হবে। টেস্ট ব্যাটসম্যানদের সাফল্যের শর্ত। ভারতে খেলার সময় সফরকারী ব্যাটসম্যানরা সবসময় সমস্যায় পড়ে। তেমনই ইংল্যান্ডেও একই সমস্যা হয়। আমি এই পরিস্থিতি উপভোগ করি, বলে দিলেন স্টোকস।.

দ্বিতীয় টেস্টে ন্যাড়া পিচ। প্রথম ঘন্টা থেকে বল টার্ন করেছে। ইংল্যান্ড ব্যাটসম্যানরা যে চ্যালেঞ্জের মুখে ধরাশায়ী হওয়ার পর বিতর্কের আঁচ। স্টোকস যদিও বলছেন, পিচে ঘাস থাকলে হয়তো বেশি বোলিংয়ের সুযোগ মিলত গত ম্যাচে। তৃতীয় টেস্ট দিনরাতের। রাতের দিকে সিমাররা সুবিধাও পায় গোলাপি বলে। ফলে বোলিংয়ের বেশি সুযোগ পাব। আশাকরি দলকে সাহায্য করতে পারব। গোলাপি বলে ম্যাচ। তাই হয়তো কিছুটা ঘাস রাখতেও হবে। তবে বুধবার ম্যাচ শুরুর সময় পিচের হাল কী থাকবে, সন্দিহান স্টোকস। বলছিলেন, নতুন স্টেডিয়াম। দারুণ লেগেছে। আর পিচ কেমন হবে না জানলেও, স্পিন হোক পেস, আমাদের হাতে দক্ষ বোলার রয়েছে।

বাড়তি সুইং দক্ষতার জন্য জেমস অ্যান্ডারসন গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর পিঙ্ক টেস্টে। আত্মবিশ্বাসী অ্যান্ডারসন নিজের কলামে লিখেছেন, লালের থেকে গোলাপি বল সুইং বেশি করে। তবে ম্যাচ পরিস্থিতিতেই বোঝা যাবে বল কীরকম আচরণ করবে। তাছাড়া এখন পিচে ঘাস আছে। শেষপর্যন্ত তা থাকবে কি না, আমি নিশ্চিত নই। অবশ্য গোলাপি বলে খেলার বাড়তি অভিজ্ঞতা আমাদের অ্যাডভান্টেজ। ভারত সেখানে সবে দ্বিতীয় দিনরাতের টেস্ট খেলবে।

পুরোনো স্টেডিয়াম ভেঙে নতুনভাবে তৈরি করা হয়েছে। প্রথমবার আন্তর্জাতিক ম্যাচ হতে চলেছে। ফলে পিচ নিয়ে জল্পনাকল্পনা তুঙ্গে। যে প্রসঙ্গে অ্যান্ডারসনের সংযোজন, পিচের চরিত্র নিয়ে নিশ্চিত না হলেও নিজেদের নিয়ে আমরা আশাবাদী। গোধূলি আলোয় খেলাটা সমস্যার। গতকাল তা টেরও পেয়েছি। পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, সূর্য্যাস্তেরর পর কৃত্রিম আলোয় মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে।

করোনার জেরে ইংল্যান্ড টিম রোটেশন পলিসিকেও সমর্থন জানালেন। সিরিজের প্রথম টেস্টে যেমন ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্সের পর বিশ্রাম দেওয়া হয় অ্যান্ডারসনকে। রোটেশন করা হয়েছে জস বাটলার, জনি বেয়ারস্টোর মধ্যেও। এনিয়ে সমালোচনা হলেও, অ্যান্ডারসনের যুক্তি, শারীরিকভাবে কতটা ফিট হয়ে মাঠে নামছি, তা নিশ্চিত করতে চাইছে বোর্ড। গত ম্যাচে বিশ্রামে থাকার ফলে আসন্ন টেস্টে আমি যেমন অনেক বেশি তরতাজা হয়ে নামতে পারব।