বেশি নম্বর পেয়েছে ছাত্রী! রেজাল্ট আটকে রাখল স্কুল

76

রামপুরহাট: উলোট পুরাণ! গোটা রাজ্যজুড়ে যখন নম্বর বৃদ্ধির দাবিতে পথে পড়ুয়ারা, ঠিক সেসময়ই ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটল বীরভূমের নলহাটি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে। অভিযোগ, প্রাপ্ত নম্বর কমানোর কথা জানিয়ে প্রধান শিক্ষিকা রেজাল্ট আটকে রেখেছেন। ছাত্রীর কথানুসারে স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, যোগ্যতা অনুসারে বেশি নম্বর দেওয়া হয়েছে তাকে। তা সংশোধন করা হবে। সেক্ষেত্রে একমাস বাদে দেওয়া হবে রেজাল্ট। ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে শিক্ষামহলে।

নলহাটি পাথর কল পাড়ার বাসিন্দা অনন্যা মণ্ডল নলহাটি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী। মাধ্যমিকে তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৫১। অনলাইনে ফলাফল জানার পর স্কুলে রেজাল্ট নিতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হয় তাকে। স্কুলের তরফে তাকে জানানো হয়, ভুলবশত বেশি নম্বর দেওয়া হয়েছে রেজাল্টে। তা সংশোধন করা হবে। সেক্ষেত্রে রেজাল্ট মিলবে প্রায় একমাস বাদে। প্রথমে স্কুল কর্তৃপক্ষের কথার পালটা জবাব না দিলেও সোমবার ফের মা’য়ের সঙ্গে স্কুলে পৌঁছোয় অন্যন্যা। অভিযোগ, তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন প্রধান শিক্ষিকা। ঘটনা প্রসঙ্গে জেলা শাসকের দ্বারস্থ হন ওই ছাত্রীর মা।

- Advertisement -

অন্যন্যার মা নিরুপমা মণ্ডল বলেন, ‘আমার মেয়ে পড়াশোনায় ভালো। পর্ষদের নিয়মকানুন মেনেই তাকে নম্বর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষিকা বিদিশা সিনহা নিজের ক্ষমতা জাহির করতে রেজাল্ট দিচ্ছে না। এমনকি আমরা স্কুলে ঢুকলে আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন।’ অনন্যার কথায়, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রধান শিক্ষিকা রেজাল্ট আটকে রেখেছেন।

যদিও ঘটনা প্রসঙ্গে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা বিদিশা সিনহার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।