সৌরভ দেব, জলপাইগুড়ি : পাড়ার মণ্ডপে মৃত্শিল্পীকে দুর্গাপ্রতিমা’ তৈরি করতে দেখে নিজের হাতে প্রতিমা তৈরি করার ইচ্ছে হয়েছিল তার। নিজের চেষ্টায় একসময় ছোটো আকারের দুর্গাপ্রতিমা বানিয়ে জলপাইগুড়ির পাণ্ডাপাড়ার জ্যোতির্ময় দাস সবাইকে তাক লাগিয়ে দেয়। এভাবেই গত চার বছর ধরে ছোটো আকারের প্রতিমা বানিয়ে চলেছে সে। জ্যোতির্ময় দেশবন্ধুনগর উচ্চবিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। মা মিনতি দাস গৃহবধূ এবং বাবা তাপস দাস ব্যবসায়ী। গত বছর সে দুটি ছোটো দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করেছিল যার মধ্যে একটি প্রতিমা ময়নাগুড়ির একটি পুজোমণ্ডপের মূল প্রতিমার পাশে শোভা পেয়েছিল। এ বছরেও সে নিজের হাতে গড়ছে দুটি ছোটো দুর্গাপ্রতিমা। জোরকদমে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। এর মধ্যে একটি প্রতিমা বাড়িতে থাকবে। পুজোর চারদিন সেই প্রতিমাকে পুজো করা হবে। দশমীতে বিসর্জন দেওয়া হবে।

জ্যোতির্ময় জানায়, বাবা-মায়ে সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে সে বিভিন্ন পুজোমণ্ডপের প্রতিমার ছবি তুলে রাখে। পরে সেই ছবিগুলি দেখে প্রতিমার অলংকার ও অন্য সাজসজ্জা তৈরি করে সে। তবে শুধু দুর্গাপ্রতিমাই নয়, এর আগে কালীপ্রতিমাও তৈরি করেছে জ্যোতির্ময়। এছাড়াও প্রতি বছর সরস্বতী এবং লক্ষ্মীপ্রতিমা তৈরি করে সে। বাড়িতে সেই প্রতিমাই পুজো করা হয়। মিনতিদেবী বলেন, ছেলের ছোটোবেলা থেকেই ছবি আঁকা, ঘর সাজানোর জিনিস তৈরি এবং প্রতিমা তৈরির আগ্রহ রয়েছে। আমরা সব সময় তাকে উত্সাহ দিয়ে এসেছি। এখন পুজোর অপেক্ষায় দিন গুনছে জ্যোতির্ময়।