পূর্বস্থলীর জনসভা থেকে তৃণমূল-বিজেপিকে এক সুরে আক্রমণ সুজনের

113

বর্ধমান: প্রধানমন্ত্রী তাঁর গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রির কাগজ দেখাতে পারেন না। মুখ্যমন্ত্রী আবার তাঁর ডক্টরেটে ডিগ্রির কাগজ দেখাতে পারেন না। অথচ তাঁরাই আবার আইন করে অন্যের ঠাকুরদার কাগজ দেখাতে বলছেন বলে সোমবার কটাক্ষের সুর চড়ালেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। এদিন বিকালে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার সিপিএম প্রার্থী প্রদীপ সাহার সমর্থনে পারুলিয়া বাজারে অনুষ্ঠিত হয় জনসভা। জনসভার মঞ্চ থেকে আগাগোড়া বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান সুজন চক্রবর্তী।

পারুলিয়ায় জনসভা থেকে তোলাবাজি ও লুটেরাগিরির বিষয়ে তৃণমূল ও বিজেপিকে একই সুরে বঁধে আক্রমণ সুজনবাবু ক্ষোভ উগরে দেন। সুজনবাবু আরও বলেন, ‘এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী দুজনেই উদ্বোধন প্রিয়। মুখ্যমন্ত্রী ফষ্টিনষ্টিরও উদ্বোধন করেন। প্রয়োজনে লোককে দেখাতে উনি নৃত্যও করতে পারেন। ওরা কৃষি ও শিল্পকে ধ্বংস করেছে।’ সুজনবাবু দাবি করেন, তৃণমূলের বিকল্প বিজেপি নয়। আর বিজেপির বিকল্পও তৃণমূল নয়। বিকল্প শুধু বামেরাই। তাই ২০২১-এ বাংলায় সংযুক্ত জোট সরকারই ক্ষমতায় আসছে। আর তার পরেই কর্মসংস্থান ও চাকরির ব্যবস্থা হবে। স্বচ্ছতা বজায় রেখে স্কুলসার্ভিস ও পিএসসি পরীক্ষাও হবে নিয়মিত। তৃণমূলকে ভাজা পাপড়ের সঙ্গে তুলনা করে সুজনবাবু দাবি করে বলেন, ‘যে কোন দিন এই দলটা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে।’

- Advertisement -

তৃণমূলের পাশাপাশি বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমন করে সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘বিজেপি ছোটলোকের পার্টি। বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকারের দাবিকে সুজনবাবু ‘দ্য বার্নিং ট্রেন’ সিনেমার সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ‘ডবল ইঞ্জিনের গাড়ি দেশটাকে বেচে দেবে। মানুষে-মানুষে সুসম্পর্ক ধ্বংস করে দেবে।’ এদিন অমিত শা’র ঝাড়গ্রামে সভা করতে না যাওয়া ইস্যুতে কটাক্ষ করে সুজনবাবু বলেন, ‘সভাস্থলে প্রচুর চেয়ার ছিল, কিন্তু মানুষ ছিল না। তাই অমিত শাহ যাননি।’