ধৈর্যের অভাবে কোচিংয়ে যাননি সানি!

মুম্বই : তার সময়ে একঝাঁক ক্রিকেটারকে পরবর্তীকালে কোচিংয়ে দেখা গিয়েছে।

অনেকেই তার মধ্যে টিম ইন্ডিয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন। বিষেন সিং বেদি, অজিত ওয়াদেকার, সন্দীপ পাতিল, মদন লাল, অংশুমান গায়কোয়াড়, কপিলদেব, রবি শাস্ত্রী- তালিকা বেশ লম্বা। যদিও ওই সময়ে সেরা তারকা সুনীল গাভাসকার কখনও কোচিং করানোর পথে হাঁটেননি!

- Advertisement -

কেন? আজ সেই রহস্যটা ফাঁস করলেন স্বয়ং ভারতের কিংবদন্তি ওপেনার। জানালেন, ম্যাচ দেখার ধৈর্য না থাকায় কোচ হওয়ার কথা কখনও ভাবেননি! সুনীল গাভাসকার বলেন, বিশ্বনাথ ও আমার কাকা মাধব মন্ত্রী ম্যাচের প্রতিটি বল দেখতে পছন্দ করতেন। আমার অভ্যাস আবার একেবারে উলটো। একটানা ম্যাচ দেখতে পারতাম না। কিন্তু কোচিং করতে হলে বা নির্বাচকের দায়িত্ব নিতে হলে, খুটিয়ে খেলা দেখার প্রয়োজন। শুধুমাত্র এই কারণের জন্যই কখনও কোচিং করানোর কথা ভাবিনি আমি।

নিজেদের ম্যাচ থাকলেও, কখনও সাজঘরের ব্যালকনিতে টানা বসে থাকতেন না। বরং অনেক বেশি আগ্রহী ছিলেন সাজঘরে বসে বই পড়তে। গাভাসকারের কথায়, আমার খেলা দেখার অভ্যাস খুব খারাপ। খেলোয়াড়ি জীবনেও সেভাবে কখনও ম্যাচ দেখতাম না। আউট হয়ে ফেরার পর সাজঘরে গিয়ে বই পড়তাম। নাহলে কোনও চিঠির উত্তর দিতাম। এসব নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম। এর ফাঁকে ফাঁকে খেলা দেখা। টানা ক্রিকেট ম্যাচ, ম্যাচের প্রতিটি বল দেখার অভ্যাস কখনই ছিল না।

তবে কেউ পরামর্শ চাইলে নিজের অভিজ্ঞতা ক্রিকেটারদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে সদা প্রস্তুত গাভাসকার। অতীতে শচীন-সৌরভরা তাঁর টিপস পেয়েছেন। সানির কথায়, অনেকেই আসে আমার কাছে। শচীন, দ্রাবিড়, সৌরভ, শেহবাগ, লক্ষ্মণরা যেমন আসত। ওদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে ভালো লাগত। তবে পুরো সময়ে জন্য দায়িত্ব নেওয়া সম্ভব নয় আমার পক্ষে।