মহারাষ্ট্র নিয়ে চার পক্ষকে নোটিশ, রাজ্যপালের চিঠি জমা দিতে বলল সুপ্রিমকোর্ট

360
পিটিআই

নয়াদিল্লি, ২৪ নভেম্বরঃ মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি যে বিজেপিকে সরকার গড়তে ডেকেছিলেন, সেই চিঠি সোমবার সকালের মধ্যে আদালতে জমা দিতে বলল সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চ। একইসঙ্গে কেন্দ্র-রাজ্য-দেবেন্দ্র ফড়নবিশ ও অজিত পাওয়ারকে নোটিশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতি এন ভি রামান্না, বিচারপতি অশোক ভূষণ এবং বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চ। সোমবার সকাল সাড়ে দশটায় মামলাটির শুনানি হবে। মধ্যরাতে মহারাষ্ট্রের তখত দখল নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টা ধরে দেশের রাজনীতি উত্তাল।শুক্রবার রাতে শরদ পাওয়ার এবং উদ্ধব ঠাকরে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়ে দিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী হবেন শিবসেনা প্রধান তথা বালাসাহেব-পুত্র উদ্ধব। কিন্তু পরের দিন সকালেই মহারাষ্ট্র নাটক অন্যদিকে মোড় নেয়। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ ও উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ার। দেবেন্দ্র ফড়নবিশ, অজিত পাওয়ারদের শপথগ্রহণকে অসাংবিধানিক বলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে শিবসেনা, এনসিপি এবং কংগ্রেস। রবিবার সেই মামলার শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে। প্রায় সওয়া এক ঘণ্টা শুনানির শেষে আদালত মহারাষ্ট্র বিজেপিকে নির্দেশ দিল, রাজ্যপাল যে চিঠি দিয়ে সরকার গড়তে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, সেই চিঠি সোমবার সকালের মধ্যে আদালতে পেশ করতে হবে ফড়নবিশদের।

কংগ্রেস-শিবসেনা ও এনসিপির তরফে আদালতে সওয়াল করেন দুই বর্ষীয়ান আইনজীবী ও কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি এবং কপিল সিব্বল। উল্টো দিকে ছিলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা ও মুকুল রোহতগি।  অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি আদালতে দাবি করেন, যত দ্রুত সম্ভব বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করুক বিজেপি। সিংভি বলেন, ‘সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ১৪৫ জন বিধায়কের সমর্থন নেই দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সরকারের কাছে। ফড়নবীশ মুখ্যমন্ত্রী এবং অজিত পওয়ার উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়ে ফেললেন। সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে কিনা, সেটা দেখা হল না।’ বিচারপতিরা জিজ্ঞাসা করেন, কী ভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দাবি করা হয়েছিল। জবাবে কপিল সিব্বল বলেন, ‘আমরা জানি না, কোনও রেকর্ড নেই।’

- Advertisement -