সুশান্ত মামলায় মাদককাণ্ডে গ্রেপ্তার শৌভিককে ৪ দিনের এনসিবি হেপাজতের নির্দেশ

355
সংগৃহীত

মুম্বই: সুশান্ত মামলার তদন্তে মাদকযোগ থাকার অভিযোগে শুক্রবারই রিয়া চক্রবর্তীর ভাই শৌভিক চক্রবর্তী এবং সুশান্তের হাউজ ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডাকে গ্রেপ্তার করেছিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো(এনসিবি)। শনিবার তাঁদের দু’জনকেই ৪ থেকে ৬ দিনের দিনের হেপাজত চেয়ে আদালতে পেশ করা হলে ৪ দিনের এনসিবি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জানা গিয়েছে, ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এনসিবি-র কাস্টডিতে থাকবে এই দুই অভিযুক্ত।

অন্যদিকে, শৌভিক, স্যামুয়েলের পাশাপাশি এই মামলায় মাদক পাচারকারী কাইজান ইব্রাহিমকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়েছে এসপ্ল্যানেড আদালত। এদিন হাসপাতালে মেডিকেল পরীক্ষার পর এসপ্ল্যানেড আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল শৌভিক চক্রবর্তী ও স্যামুয়েল মিরান্ডাকে।

- Advertisement -

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু মামলায় শুক্রবার তাঁর বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী ও রিয়ার ভাই শৌভিক চক্রবর্তীর বাড়িতে হানা দেয় এনসিবি। পাশাপাশি তারা হানা দেয় সুশান্তের ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডার বাড়িতেও। এনসিবি-র আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এনডিপিএস আইন অনুযায়ী, তাঁদের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এরপর দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয় তাঁদের। জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন শৌভিক স্বীকার করেন, যে তিনি রিয়ার নির্দেশে মাদক কিনেছিলেন। এনডিপিএস আইনের বিভিন্ন ধারায় শৌভিক ও স্যামুয়েলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুন মুম্বইয়ের বান্দ্রার ফ্ল্যাটে সুশান্ত সিং রাজপুতের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। অভিনেতার মৃত্যুতে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। আত্মহত্যা নাকি খুন? সোশ্যাল মিডিয়ায়ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। রিয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন সুশান্তের বাবা কেকে সিং। সুশান্তের মৃত্যুর পর থেকেই মৃত্যুর কারণ নিয়ে জলঘোলা শুরু হয়েছে। সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে একসঙ্গে কাজ করছে তিন কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই, ইডি এবং এনসিবি।