সুশীলকে নিয়ে চণ্ডীগড়ে তদন্তে পুলিশ

নয়াদিল্লি : তারকা কুস্তিগির সুশীল কুমারের বিড়ম্বনা ক্রমেই বাড়ছে।

শুক্রবার খুনের মামলার তদন্তে সুশীলকে চণ্ডীগড় নিয়ে গেল দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। পাশাপাশি এই মামলায় অভিযুক্ত সন্দেহে এদিন বিজেন্দর নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমনকি এই মামলায় সংবাদ মাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে করা একটি মামলা খারিজ করেছে দিল্লি হাইকোর্ট।

- Advertisement -

সূত্রের খবর, পুলিশি জেরায় বেশ কয়েকবার চণ্ডীগড়ের প্রসঙ্গ তুলেছেন সুশীল। এই শহরের এক বা একাধিক ব্যক্তি পুলিশের হাত এড়িয়ে গাঁ ঢাকা দিয়ে থাকার সময় তাঁকে সাহায্য করেছে বলে জানিয়েছেন জোড়া অলিম্পিক পদকের মালিক। তাই শুক্রবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাঁকে নিয়ে চণ্ডীগড়ে যান তদন্তকারীরা। সেখানে একাধিক জায়গায় হানা দেয় পুলিশ। তবে সেখান থেকে কেউ গ্রেপ্তার হয়েছে কি না তা এখনও জানা যায়নি। পুলিশের দাবি, জেরায় দোষ স্বীকার করেছেন সুশীল। তিনি জানিয়েছেন, মৃত সাগর ধনখড় ও তাঁর বন্ধুদের শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের।

সুশীলের বিড়ম্বনা বাড়িয়ে সাগর খুনের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে সুশীল সহ কয়েকজনকে লাঠি হাতে একজনকে মারধর করতে দেখা গিয়েছে। এই ভিডিওকে হাতিয়ার করেই সুশীলের বিরুদ্ধে মামলা সাজাচ্ছে পুলিশ। অন্যদিকে, ধৃত বিজেন্দর মূলত বিন্দর নামে পরিচিত। পুলিশের দাবি, ধৃত ব্যক্তি সুশীলের দীর্ঘদিনের পরিচিত। সাগরকে মারধর করার সময় সে ছত্রশাল স্টেডিয়ামে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। দিল্লির তিকরি গ্রামের বাসিন্দা বিজেন্দর নিজেও একজন কুস্তিগির। জেরায় সে দোষ স্বীকার করেছে বলে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে। এই ঘটনায় সবমিলিয়ে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হল।

অন্যদিকে, এই মামলায় মিডিয়া ট্রায়ালের অভিযোগ তুলে দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলা শুনতে রাজি হল না দিল্লি হাইকোর্ট। আইনের এক পড়ুয়া এই মামলা দায়ের করেন। তাঁর দাবি ছিল, সুশীল একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কুস্তিগির। এই মামলা নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন তাঁর ভাবমূর্তি খারাপ করছে। যদিও কোনও ব্যক্তির হয়ে অন্যের দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা শুনতেই রাজি হয়নি প্রধান বিচারপতি ডিএন প্যাটেল এবং বিচারপতি জ্যোতি সিংয়ের বেঞ্চ।