‘তোলাশ্রী’ ও ‘মিথ্যাশ্রী’ কাদের উদ্দেশ্যে এই তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

207

আলিপুরদুয়ার: ‘তোলাশ্রী’ ও ‘মিথ্যাশ্রী’। মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর ভাইপোকে কটাক্ষ করতে গিয়ে এই দুই বাক্যবন্ধই ব্যবহার করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারি। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর রবিবারই প্রথম আলিপুরদুয়ারে বাবুরহাটে জনসভা করেন শুভেন্দু। জনসভা থেকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমি ২০১২ সালে শেষ বার আলিপুরদুয়ারে এসেছিলাম। আবারও এলাম। চেনা লোক শুধু জার্সি বদল হয়েছে। উত্তরবঙ্গে তৃণমূল কিছুই করেনি। সব জায়গাতেই কাটমানি। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি সরকার গড়বে এবং নতুন দুটি প্রকল্প চালু হবে তোলাশ্রী এবং মিথ্যাশ্রী। একটা মুখ্যমন্ত্রীকে দেওয়া হবে এবং একটা তার ভাইপোকে দেওয়া হবে।’

এদিন সকালেই বাগডোগরা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছন শুভেন্দু। তাকে ঘিরে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে কার্যত হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। গেরুয়া তিলক-ফুলের মালায় শুভেন্দুকে বরণ করে নেন বিজেপি কর্মীরা। বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি সড়ক পথে আলিপুরদুয়ারের উদ্দেশে রওনা হয়ে যান তিনি। পথে চালসা সহ বিভিন্ন জায়গায় শুভেন্দুর কনভয়কে থামিয়ে তাকে স্বাগত জানান অনেকে। চালসার গোলাইয়ে শুভেন্দুকে সম্বর্ধনা জানান স্থানীয় বিজেপির নেতা-কর্মীরা। চালসা-মেটেলি রাজ্য সড়কের পাশে একটি হোটেলে দুপুরের খাবার সেরে তিনি আলিপুরদুয়ারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। জানা গিয়েছে, মেটেলির ওই হোটেলে শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা করেন বিজেপির বেশ কয়েকজন নেতা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া বিধায়ক শুক্রা মুন্ডাও। তবে সেখানে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কোনও কথা বললেনি শুভেন্দু। এদিন হাসিমারা থেকে বাইক মিছিল করে বিজেপি কর্মীরা ওনাকে বাবুরহাটে জনসভায় নিয়ে আসেন। এদিন শুভেন্দু ছাড়াও জনসভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা, সায়ন্তন বসু,  সাংসদ জন বারলা, জেলা বিজেপি সভাপতি গঙ্গা প্সাদ শর্মা। এদিন কুমারগ্রাম বিধানসভার কামাখ্যাগুড়ি থেকে বিজেপির পরিবর্তন রথযাত্রা শুরু হয়ে বাবুরহাটে পৌঁছায়। সেখানে জনসভা হয়। জনসভার পর পরিবর্তনযাত্রার রথ ফালাকাটায় দিকে রওনা হয়।

- Advertisement -